মাগুরানিউজ.কমঃ
মাগুরার শালিখা উপজেলার শতখালী দারুল উলুম দাখিল মাদ্রাসার নবম শ্রেণীর ১৫ শিক্ষার্থীকে দরজা আটকে কাঠের লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আহত করেছে মো: কামরুজ্জামান নামে এক শিক্ষক। এদের মধ্যে এক ছাত্রীর একটি হাত ভেঙ্গে গেছে।
বুধবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে ওই শিক্ষককে সাময়িকভাবে বহিস্কার করা হয়েছে।
জানা গেছে- বুধবার (১২ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে শিক্ষক কামরুজ্জামান তার নবম শ্রেনীর ক্লাসের সময় পড়া না পারার ওজুহাতে দরজা বন্ধ করে ক্লাসের প্রায় সব শিক্ষার্থীকে কাঠের লাঠি দিয়ে নির্মম ভাবে পিটিয়ে আহত করেন।শিক্ষক কামরুজ্জামান বেরিয়ে যাওয়ার পর অন্যান্য শিক্ষকরা রুমে ঢুকে দেখে শিক্ষার্থীরা কেউ কেউ মাটিতে লুটিয়ে পড়ে আছে। এ সময় অন্য শিক্ষকরা বাজার থেকে স্থানীয় চিকিৎসক ডা. অসিম কুমারকে ডেকে নিয়ে এসে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন।
এ সময় কমপক্ষে ১৫ শিক্ষার্থী আহত হন। পরে গুরুতর আহত ৫জনকে উপজেলা সদর আড়পাড়ায় নিয়ে চিকিৎসা দেয়া হয়। এদের মধ্যে সুইটি নামের একজন ছাত্রীর একটি হাত ভেঙ্গে গেছে বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক কামরুজ্জামানের বক্তব্য নেয়ার জন্যে ফোন করলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।
এ ব্যাপারে ওই মাদ্রাসার সুপার হাফিজুর গণমাধ্যমে জানান- আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার ব্যাপারে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। ওই শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করে ৭ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে।
শালিখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমী মজুমদার জানান- শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের লিখিত অভিযোগ পেয়ে স্থানীয় ম্যানেজিং কমিটির মাধ্যমে উক্ত শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। শিক্ষকের নির্মম আচরণের ব্যাপারে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।


