মনিরুল ইসলাম, বিশেষ প্রতিবেদক-
আজ মঙ্গলবার, এপ্রিল ২৮, ২০২৬ ইং
loading....
শিরোনাম:
- শ্রীপুরে কৃষকদের পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস অনুষ্ঠিত
- শ্রীপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত
- শ্রীপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের খেলোয়ার বাছাই প্রক্রিয়া শুরু
- শ্রীপুরে সম্পত্তি বিরোধের জেরে গৃহবধূ হত্যা, দুই আসামী গ্রেফতার
- শ্রীপুরে মাইক্রো-ভ্যানের সংঘর্ষে স্কুল শিক্ষক নিহত, ভ্যান চালক আহত
- শ্রীপুরে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করছে ১৯৫২ জন শিক্ষার্থী
- শ্রীপুরে তিন হাজার মিটার অবৈধ চায়না জাল জব্দ, পুড়িয়ে ধ্বংস
- শ্রীপুরে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করছে ১৯৫২ জন শিক্ষার্থী
- শ্রীপুরে বিদ্যুৎপৃষ্টে যুবকের মৃত্যু
- শ্রীপুরে ইজিবাইক উল্টে বৃদ্ধ নিহত, আহত পরিবারের তিন সদস্য
শালিখার গোবরা পঞ্চপল্লী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী সুলতান বিশ্বাস বিরুদ্ধে বিল্লাল হোসেন নামের এক ১০ম শ্রেণীর ছাত্রকে থাপ্পড় মেরে কানের পর্দা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে৷
এই বিষয়ে ভুক্তভোগী ছাত্রের চাচা এরশাদ আলী বাদী হয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে মৌখিক ভাবে অভিযোগ দায়ের করেছেন। উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ শফিউল আলম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
অভিভাবক সূত্রে জানা গেছে, গত ১৪জুন বিল্লাল হোসেন পরীক্ষা দিতে গেলে কলমের কালি ফুরিয়ে যায়,অন্য ছাত্রের কাছ থেকে কলম নিয়ে লিখতে গেলে অফিস সহকারী ছাত্র বিল্লালকে এলোপাথাড়ি থাপ্পড় দিতে থাকেন। এতে প্রচণ্ড আঘাত পেয়ে বিল্লাল হোসেন শ্রবণশক্তি হারিয়ে ফেলে। বাড়িতে গিয়ে বাবা-মা ও চাচাদেরকে বিষয়টি জানায়।
এ ব্যাপারে বিল্লালের চাচা এরশাদ আলী বলেন, আমার ভাইয়ের ছেরে বিল্লালকে যে ভাবে কানে থাপ্পড় মেরে কানের পর্দা ফাটিয়ে দেছে৷ আমি অফিস সহকারি সুলতানের বিচার চাই৷ আমার ভাচতে শালিখা হাসপাতলে ভর্তি আছে৷ সে এখন কানে কিছু শুনছে না৷ কান দিয়ে রক্ত বের হচ্ছে৷ গোবরা পঞ্চপল্লী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আক্তারুজ্জামান মোবাইল ফোনে বক্তব্যে ছাত্রের কানের পর্দা ফাটার বিষয় জানেন বলে শিকার করলেও বাস্তবে সরজমিনে গিয়ে বক্তব্য নিতে গেলে তিনি সাংবাদিকদের বিভ্রান্তিমুলক কথা বলেন,ছাত্র বিল্লালের কানের পর্দা ফেটে গেছে আমি এই প্রথম শুনলাম৷ ছাত্রের পরিবার আমাকে কিছু জানায়নি৷ তবে ছেলের চাচা ঘটনাটি ঘটার অনেক পরে আমাকে ফোনে জানিয়েছেন৷
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত অফিস সহকারি সুলতান বিশ্বাস মোবাইল ফোনে ছাত্রকে কানে থাপ্পড় মারার কথা শিকার করলেও সরজমিনে গিয়ে বক্তব্য নিতে গেলে তিনি বিষয়টা এড়িয়ে গিয়ে বলেন ওই দিন আমি ছাত্রকে মারিনি৷ তার একটা অপরাধের কারনে বিদ্যালয় থেকে তাড়িয়ে দিয়েছি৷
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ শফিউল আলম বলেন বিষয়টি নিয়ে ওই ছাত্রের চাচা মৌখিক অভিযোগ করেছেন৷ শিগগিরই তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

