আজ বুধবার, অগাস্ট ১২, ২০২৬ ইং
loading....
শিরোনাম:
- শ্রীপুরে ২ টি সার ও কীটনাশকের দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি
- শ্রীপুর মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন, রোগীদের দুর্ভোগ
- শ্রীপুরে ৪ টি দোকানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ১১ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি
- শ্রীপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৩০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি
- শ্রীপুরে আলোচিত শিশু রাজিয়া ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যা মামলায় আসামীর মৃত্যুদণ্ড
- শ্রীপুরে প্রতিবেশীদের হামলায় আহত ব্যক্তির মৃত্যু, হত্যাকাণ্ডে জড়িত না এমন ব্যক্তিদের বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ
- শ্রীপুরে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা, ক্রেস্ট ও সনদ বিতরণ
- শ্রীপুরে পিতা ও পুত্রকে কুপিয়ে মারাত্মক জখম, দোকানঘরে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট
- টিসিবিতে নিম্মমানের পণ্য, প্যাকেজের দাম বৃদ্ধি হওয়ায় ক্রেতাদের অসন্তোষ
- শ্রীপুরে দারিয়াপুর ডিগ্রি কলেজের এইচ এস সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত
মনিরুল ইসলাম, বিশেষ প্রতিবেদক-
ইসলামের শত্রুরা হুশিয়ার সাবধান, আমরা সবাই রাসূল সেনা ভয় করিনা বুলেট বোমা, এক হও এক হও বিশ্ব মুসলিম এক হও ইত্যাদি স্লোগানে বজ্রকণ্ঠে আওয়াজ তুলে ফিলিস্তিনিদের উপরে ইজরাইলি হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে শালিখা উপজেলা ইমাম ও ওলামা পরিষদের সদস্যবৃন্দ। মিছিলটি আড়পাড়া কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দান থেকে শুরু হয়ে আড়পাড়া বাজার প্রদক্ষিণ করে স্বস্থানে গিয়ে শেষ হয়।
আজ রোববার বিকালে আড়পাড়া কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে মিছিল পরবর্তী সমাবেশে বক্তব্য রাখেন উপজেলা ইমাম ও ওলামা পরিষদের সভাপতি মাওলানা মুফতি মনিরুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক ইমাম উদ্দিন নূরী, আড়াপাড়া বাজার কোর্ট মসজিদের খতিব মাওলানা মোশাররফ হোসেন কাসেমীসহ স্থানীয় বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
এসময় বক্তারা বলেন, ইজরাইল শাসকগোষ্ঠী ৭২ বছর ধরে প্যালেস্টাইনদের উপর স্টিমরোলার চালাচ্ছে, চালাচ্ছে নির্মম হত্যাকান্ড।
এছাড়াও তারা ফিলিস্তিনিদের নিজস্ব ভুখন্ড দখল করে নিজেদের মাতৃভূমি থেকে বিতাড়িত করেছে ফিলিস্তিনিদেরকে যা কেবলমাত্র মানবাধিকার লঙ্ঘন করে নাই রীতিমতো ফিলিস্তিনিদের রাষ্ট্রকে ধ্বংস স্তূপে পরিণত করেছে তাই আমরা রাসুলের উম্মত হিসেবে ইসরাইলদের করা নির্মম ও দুর্বিসহ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাচ্ছি পাশাপাশি সকল বাংলাদেশীদেরকে ইজরাইলি পণ্য বর্জন করার অনুরোধ জানাচ্ছি। ঘন্টাব্যাপী চলা এ বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে শালিখা উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে হাজার হাজার ধর্মপ্রাণ মুসল্লী ও তাওহীদি জনতা অংশগ্রহণ করে।

