মাগুরানিউজ.কমঃ
মাগুরা শহরের আতর আলী রোডের ফুটপাতে অস্থানী প্রসাধনীর এক দোকানে ক্রেতার কাছে বিক্রেতা একটি মেহেদির দাম হাঁকাল ৫০ টাকা। ক্রেতা ২৫ টাকা দাম বলার পর বিক্রেতা ৪০, ৩৫ এবং ৩০ টাকা বলতে বলতে শেষ পর্যন্ত ২৫ টাকাতেই তা বিক্রি করল। ক্রেতা চলে যাওয়ার পর দোকানি বললেন, ‘যেমন মাল, তেমন দাম’।
এরপর ওই দোকান থেকে মেহেদির একটি প্যাকেট হাতে নিয়ে দেখা গেল ক্রেতা যেটি কিনেছেন সেটি আসল লিজান মেহেদি নয়। লিজান মেহেদির অবিকল মোড়কে তৈরি করা নকল মেহেদি। তার দোকানের অন্য সব প্রসাধনীই দেশের নামিদামি কোম্পানির মতো মোড়কে এবং একই নামের। শহরের বিভিন্ন ফুটপাথে ঈদ উপলক্ষে যে অস্থায়ী ঈদ বাজার গড়ে উঠেছে তার সবগুলোতেই এমন নকল পণ্যের ছড়াছড়ি।
আলো ঝলমলে অভিজাত বিপণি বিতানগুলোতে যে পোশাক ও প্রসাধনী সামগ্রী বিক্রি হয়, অবিকল সব কিছুই পাওয়া যায় ফুটপাথের অস্থায়ী ঈদ বাজারে। অভিজাত বিপণিবিতানগুলোতে ‘একদর’ বিক্রির নামে যেমন ক্রেতারা ঠকছেন, আবার ফুটপাথের অস্থায়ী ঈদ বাজারেও দরদাম করে কিনেও ঠকছেন ক্রেতারা।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, ফুটপাথের দোকানগুলোতে যে দামে পণ্য ও প্রসাধনী বিক্রি করা হয় তার তিন থেকে চারগুণ বেশি দাম হাঁকা হয়। তারপরও জমজমাট বেচাকেনা হচ্ছে গরিবের ঈদ বাজার নামে পরিচিত ফুটপাথের অস্থায়ী দোকানগুলোতে।
দোকানিরা জানান, প্রতি বছরের মতো এবারও মধ্য রমজান থেকে অস্থায়ী ঈদ বাজার শুরু হয়েছে।চাঁদরাত পর্যন্ত জমজমাট বেচাকেনা চলবে।


