মাগুরানিউজ.কমঃ
মাগুরায় নালিম চাষে সাফল্য এসেছে। বাণিজ্যিক মুনাফার কারণে জেলার কৃষকদের কাছে অন্যতম অর্থকরী ফসল হিসেবে গুরুত্ব পাচ্ছে বাঙ্গি জাতীয় মাঠ পর্যায়ের ফল নালিম। কৃষকরা বলেন, ৯০ দিনেই বাজিমাত। মাত্র ৯০ দিনে বিঘা প্রতি ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা মুনাফা পাওয়ায় জেলার অনেক কৃষক এখন নালিম চাষের দিকে ঝুঁকে পড়েছেন। যে কারণে ক্রমশ বাড়ছে এটির বাণিজ্যিক আবাদ।
মাগুরা সদর উপজেলার হাজরাপুর, হাজীপুর, রাঘবদাড় ইউনিয়নের নড়িহাটি, ইছাখাদা, শিবরামপুর, বিরপুর, মির্জাপুরসহ অন্তত ১০টি গ্রাম এখন নালিম চাষের জন্য সুপরিচিত হয়ে উঠেছে।
ইছাখাদার কৃষকরা জানান- প্রতি এক বিঘা জমিতে নালিম চাষে খরচ হয় ৭ থেকে ৮ হাজার টাকা। বিক্রি হয় ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা। এটির আবাদে সার বা অন্য কৃষি উপকরণ তেমন প্রয়োজন না হওয়ায় লাভ হয় বেশি । প্রতিবছর এপ্রিল-মে মাসে এটির আবাদ হয়। পাকে জুলাই-আগস্ট মাসে। তখন বিভিন্ন এলাকার পাইকাররা মাঠ থেকেই এটি সংগ্রহ করে নিয়ে যায়।
নালিম ব্যবসায়ীরা আরো জানান- রমজানে এটির ব্যাপক চাহিদা তৈরী হয়।
৯০ দিনেই বাজিমাত করলেন মাগুরার চাষিরা। কৃষকদের কাছে অন্যতম অর্থকরী ফসল হিসেবে গুরুত্ব পাচ্ছে বাঙ্গি জাতীয় ফল নালিম। এ ফল চাষে মাত্র ৯০ দিনেই বিঘাপ্রতি ২৫-৩০ হাজার টাকা মুনাফা অর্জন করতে পারছেন কৃষক। ফলে স্থানীয় কৃষকরা এখন নালিম চাষে ঝুঁকছেন। সেখানে ক্রমেই বাড়ছে ফলটির বাণিজ্যিক আবাদ।


