বিশেষ প্রতিবেদক-
কার্পেটিং সড়ক। সড়কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন স্কুল ও কলেজের ছাত্র-ছাত্রীসহ অসংখ্য মানুষ এবং যানবাহন গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি দিয়ে যাতায়াত করে। কিন্তু এই সড়কের একাংশের ওপরে জলাবদ্ধতার কারণে দুর্ভােগ পােহাতে হচ্ছে। বিশেষ করে স্কুল কলেজের ছাত্রছাত্রী ও নারীদের চলাচলের ক্ষেত্রে বিব্রতকর পরিস্থিতি মােকাবেলা করতে হয়। কারণ কাপড় গুছিয়ে জলাবদ্ধ সড়কটুকু পাড়ি দিতে হয়। জনদুর্ভােগের এ চিত্র মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলা সদরের আব্দুর রশীদ যশােরী সড়কে। উপজেলা ভূমি অফিসোর পশ্চিম প্রান্ত থেকে শুরু এবং উপজেলা স্বাস্য কমপ্লেক্সের প্রাচীর ঘেঁষে আমিনুর রহমান ডিগ্রি কলজ পর্যন্ত যে সড়কটি রয়েছে তার নাম ‘আব্দুর রশীদ যশােরী সড়ক’। সড়কটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কানাইনগর, বড়রিয়া ও বালিদিয়াসহ কয়কটি গ্রামর স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীসহ বহু মানুষ এই সড়ক দিয়ে মহম্মদপুরে যাতায়াত করেন। চলাচল করে যানবাহনও। ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টির পানি জমে ওই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলা ভূমি অফিসের পশ্চিম পাশে ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রাচীর ঘেঁষে প্রায় ৫০ গজ কার্পেটিং সড়কের ওপর পানি জমে আছে। জলাবদ্ধ অংশটুকু পাড়ি দিতে দুর্ভােগ পােহাতে হচ্ছে ওই সড়কে চলাচলকারিদের। উপজেলা সদরের প্রাণকেন্দ্রে জনসাধারণের এমন দুরাবস্থা নিরসনে কারাে যেন খেয়াল নেই। আমিনুর রহমান কলেজের ছাত্র মোহাম্মদ নাহিদ জানান, ‘কলেজে যাওযার সময় এই রাস্তা ব্যবহার করি। কিন্তু বৃষ্টি হলেই পানি জমে থাকে। প্যান্ট হাটুতে উঠিয়ে চলাচল করতে হয়।’ পথচারি মনিরা খাতুন জানান, ‘এখানে রাস্তার পাশেই ময়লার ভাগাড়। এই রাস্তা দিয়ে আমাকে হাসপাতালে যেতে হয়। কিন্তু বৃষ্টি হলেই কয়েকদিন রাস্তায় পঁচা পানি জমে থাকে।’ এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রামানদ পাল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সরেজমিনে পরিদর্শণ করে প্রয়ােজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’


