মাগুরানিউজ.কমঃ
মাদ্রাসায় যেতে দেরি হওয়ায় মাগুরা সদর উপজেলার নরসিংহাটি মাদ্রাসার ওমর আলী (৯) নামে এক ছাত্রের হাতে গরম ইস্ত্রির ছ্যাকা দিয়েছেন এক শিক্ষক। এতে ওই ছাত্রের ডান হাতের তালুর বেশ কিছু অংশে ফোসকা পড়েছে।
প্রকাশিত সংবাদে জানা যায়, ওমর আলী ওই মাদ্রাসায় তিন বছর ধরে হাফেজি কোরান শিখছে। প্রতিদিন খুব ভোরে মাদ্রাসায় যায় সে। সকাল ৯টার দিকে খাবার খেতে তিন ঘণ্টার ছুটি দেওয়া হয়। গতকাল মঙ্গলবার ওমর আলীর দাদা বাকু মোল্লার জন্য খাবার তৈরি করতে গিয়ে ওমর আলীর মায়ের দেরি হওয়ায় খাবার খেয়ে মাদ্রাসায় যেতে দেরি করে ওমর।
দুপুর ১২টায় যাওয়ার কথা থাকলেও দুপুর ১টার দিকে এক ঘণ্টা দেরিতে মাদ্রাসায় পৌঁছায় সে।
এ সময় মাদ্রাসা কক্ষে কাপড় ইস্ত্রি করছিলেন মাদ্রাসা শিক্ষক মাওলানা হাবিবুল্লাহ। ওমর আলীকে দেখেই তিনি রাগাম্বিত হন এবং হাতে থাকা গরম ইস্ত্রি ডান হাতের তালুতে চেপে ধরেন। এতে হাতের বেশ খানিক জায়গায় ফোসকা পড়ে যায় তার।
এ অবস্থায় ওমর আলী সেখানে রাত পর্যন্ত ক্লাস করে। পরে রাত ৯টার দিকে বাড়িতে ফিরে মা-বাবাকে বিষয়টি জানালে তাঁরা ছেলে ওমরকে কাটাখালী বাজারে স্থানীয় চিকিৎসক শিমুল হোসেনের ফার্মেসিতে চিকিৎসার জন্য নিলে বিষয়টি জানাজানি হয়।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত শিক্ষক পলাতক রয়েছেন।


