মাগুরানিউজ.কম:
গুলিবিদ্ধ শিশু সূরাইয়া ও মায়ের চিকিৎসায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য মাগুরা সদর হাসপাতাল এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকদের সম্মাননা দিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।
আজ সোমবার মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে এই সম্মাননা দেয়া হয়। এ সময়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম চিকিৎসকদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, চিকিৎসকদের আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার কারনে এটা সম্ভব হয়েছে। ভালো কাজের স্বীকৃতি দিতে হবে। তাহলে চিকিৎসকরা ভালো কাজ করতে উৎসাহ পাবে। এভাবেই সমাজের বিকাশ সম্ভব।
অনুষ্ঠানের শুরুতে মন্ত্রী গুলিবিদ্ধ শিশু সূরাইয়া ও মায়ের চিকিৎসায় মাগুরা এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকদের অভিজ্ঞতার বর্ণনা শুনেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজে হাসপাতাল (ডিএমসি)-এর পরিচালক ব্রি. জে. মো. মিজানুর রহমান, নিউনেটোলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. আবিদ হোসেন মোল্লা, মাগুরা জেলা সিভিল সার্জন ডা. এফ বি এম আব্দুল লতিফ, মাগুরা সদর হাসপাতালের কনসালটেন্ট ডা. মো. শফিউর রহমানসহ মোট ১৪ জনকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।
এ সময়ে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক, স্বাস্থ্য সচিব সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. দীন মো. নুরুল হক, বিএসএমএমইউ’র উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খানসহ মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
গত ৪ আগস্ট স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মাতৃগর্ভে গুলিবিদ্ধ শিশু ও তার মাকে দেখতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিওনেটাল ইনটেন্সিভ কেয়ার ইউনিটে যান। এ সময় তিনি বিনামূল্যে তাদের চিকিৎসার ঘোষণা দিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও চিকিৎসকদের সঠিকভাবে চিকিৎসা করার নির্দেশ দেন। ঐদিনই সাংবাদিকদের কাছে সুরাইয়া ও তার মাকে সুস্থ করে তোলায় চিকিৎসকদেরকে ধন্যবাদ জানান মন্ত্রী।
২৩ জুলাই মাগুরা শহরের দোয়ারপাড় এলাকায় দুই দল সন্ত্রাসীর মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলার সময় গর্ভবতী নাজমা খাতুন গুলিবিদ্ধ হন। তাঁকে মাগুরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে ঐদিন রাতেই অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে মাতৃগর্ভে গুলিবিদ্ধ শিশুটির জন্ম হয়। গুরুতর আহত শিশুটিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ২৫ জুলাই ঢাকায় আনা হয়।


