শিল্পকলার ক্ষেত্রে পদক পাচ্ছেন চারজন। তাঁরা হলেন: টিভি ও চলচ্চিত্র অভিনয়ে বেগম জাহানারা আহমেদ, শাস্ত্রীয় সংগীতে পণ্ডিত অমরেশ রায় চৌধুরী, সংগীতে বেগম শাহীন সামাদ ও নৃত্যে আমানুল হক। মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য এ বছর একুশে পদক পাচ্ছেন মফিদুল হক। সাংবাদিকতায় তোয়াব খান। গবেষণায় ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ্ ও মংছেন চীং মংছিন। ভাষা ও সাহিত্যে একুশে পদক পাচ্ছেন জ্যোতিপ্রকাশ দত্ত, অধ্যাপক ড. হায়াত্ মামুদ ও হাবিবুল্লাহ সিরাজী।
আজ শনিবার, জুন ১৩, ২০২৬ ইং
loading....
শিরোনাম:
- শ্রীপুরে ডেঙ্গুসহ মশা বাহিত অন্যান্য রোগ প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান
- জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতায় বিভাগীয় পর্যায়ে প্রথম শ্রীপুরের সন্তান সাকিন
- শ্রীপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক র্যালি ও লিফলেট বিতরণ
- শ্রীপুরে দু-দল গ্রামবাসীর সংঘর্ষে আহত ৩, দোকানঘর ও বাড়িঘর ভাঙচুর
- শ্রীপুরে ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত
- শ্রীপুরে কোরবানির জন্য কেনা গরু চুরি
- শ্রীপুরে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার
- শ্রীপুরে ধর্ষণ মামলার ৩ আসামী গ্রেফতার
- শ্রীপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত, আহত ১
- শ্রীপুরে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহের উদ্বোধন
মাগুরানিউজ.কমঃ
ঢাকা অফিস-
জাতীয় পর্যায়ে অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এ বছর বাংলাদেশের জাতীয় এবং সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার একুশে পদক পাচ্ছেন ১৬ জন। গতকাল বুধবার সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ২০১৬ সালের একুশে পদক পাওয়া ১৬ ব্যক্তির নাম প্রকাশ করা হয়েছে।
সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব মো. জিয়াউদ্দিন ভূঞার স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদকপ্রাপ্তদের হাতে পুরস্কার তুলে দেবেন। ১৬ জনের মধ্যে মরণোত্তর একুশে পদক পাচ্ছেন দুইজন। তাঁরা হলেন: ভাষা আন্দোলনের ক্ষেত্রে অবদান রাখা সৈয়দ গোলাম কিবরিয়া এবং চিত্রকলা ক্ষেত্রে কাজী আনোয়ার হোসেন।
ভাষা আন্দোলনের ক্ষেত্রে অবদান রাখায় আরো তিনজন একুশে পদক পাচ্ছেন। তাঁরা হলেন: বিচারপতি কাজী এবাদুল হক, ডা. সাঈদ হায়দার ও ড. জসীম উদ্দীন আহমেদ।
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে দেশের ভাষাসৈনিক, শিক্ষাবিদ, অর্থনীতিবিদ, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, শিল্পী, গবেষক, সামাজিক বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে একুশে পদক দেয়ার প্রচলন শুরু হয় ১৯৭৬ সাল থেকে।
পদকপ্রাপ্তদের ১৮ ক্যারেটের সোনা ?দিয়ে তৈরি ৩৫ গ্রাম ওজনের একটি পদক, দুই লাখ টাকা, একটি সম্মাননাপত্র ও একটি রেপ্লিকা দেয়া হবে।


