মাগুরানিউজ.কমঃ
ঢাকা অফিস-
মার্চে সারাদেশে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন শুরু হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মো. শাহ নেওয়াজ।
ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দলীয় প্রতীকে ও কাউন্সিলর পদে নির্দলীয়ভাবে ভোটগ্রহণ করা হবে এবং নির্বাচন হবে ধাপে ধাপে বলে জানান তিনি।
মঙ্গলবার বিকেলে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের নিজ কার্যালয়ে তিনি সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব তথ্য জানান।
শাহ নেওয়াজ বলেন, ইউপি নির্বাচনের জন্য আইন পরিবর্তন হওয়ায় দলীয়ভাবে নির্বাচন করার বিধিমালা ও আচরণ বিধিমালায় সংশোধনী আনতে কাজ করছে ইসি।
‘পৌরসভার নির্বাচনের আদলে নির্বাচন করার ইউপি নির্বাচনের বিধি-বিধান করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে চেয়ারম্যান পদে দলীয়ভাবে এবং মেম্বার পদে নির্দলীয়ভাবে নির্বাচন হবে’- যোগ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, এখন বিধিমালা সংশোধনের কাজ চলছে। পৌরসভা নির্বাচনের মতো সংসদ সদস্যরা (এমপি) প্রচারণা চালাতে পারবেন না। এছাড়া উপজেলা চেয়ারম্যানরাও পারবেন না।
শাহ নেওয়াজ বলেন, আচরণবিধিমালা আগে যেমন ছিল এবারও তাই থাকবে। আচরণবিধিমালায় পরিবর্তন নিয়ে কিছু চিন্তা-ভাবনা করিনি। তবে বিধিমালা এখনও চূড়ান্ত হয়নি।
দু’একদিনের মধ্যে খসড়া বিধিমালা আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হবে। এরপর চূড়ান্ত বিধিমালার গেজেট প্রকাশ করা হবে বলে জানান তিনি।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের শাহ নেওয়াজ বলেন, ইউপি নির্বাচন কত ধাপে সম্পন্ন করবো- সেটি চিন্তা করিনি। তবে মার্চের আগে শুরু করতে হবে। আগেরবার যেহেতু সব নির্বাচন এক সঙ্গে হয়নি, তাই হয়ত ধাপে ধাপেই নির্বাচন করতে হবে। যখন যেটার সময় আসবে সেটা আগে করে ফেলবো।
পৌরসভার পুনঃনির্বাচনের বিষয়ে তিনি বলেন, ৩০ ডিসেম্বর অনিয়মনের কারণে ৫১টি কেন্দ্র স্থগিত হয়েছিল। এতে মাধবদীতে একটি কেন্দ্র অনিয়মের কারণে স্থগিত করা হয়েছে। চৌমুহনিতে একটি কেন্দ্রে ১০০ ভোটার সিল মারার কারণে স্থগিত করা হয়। এছাড়া বেশ সুন্দরভাবে নির্বাচন হয়েছে। যেখানেই অনিয়ম হয়েছে, শাস্তি হিসেবে জরিমানা ও জেল দু’টাই দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০১১ সালে কয়েক ধাপে প্রায় সাড়ে চার হাজার ইউপিতে নির্বাচন করেছিল ইসি। সে সময় ২৯ মার্চ ২১ উপকূলীয় উপজেলার শতাধিক ইউপিতে ভোটগ্রহণ হয়েছিল। আইন অনুযায়ী, এবারও ২৯ মার্চের মধ্যেই সেইসব ইউপিতে নির্বাচন করতে হবে।


