মাগুরানিউজ.কম:
মাগুরায় ছাত্রলীগের দুই পক্ষের গোলাগুলিতে মায়ের পেটেই গুলিবিদ্ধ শিশুটির সঙ্গে অবশেষে দেখা হলো মা নাজমা বেগমের। বৃহস্পতিবার রাতেই ঢাকা মেডিকেল কলেজের ‘স্পেশাল কেয়ার বেবি ইউনিটে’ (স্ক্যাবু) নিয়ে যাওয়া হয়েছে মাকে। সেখানেই সন্তানকে দেখতে পেলেন মা।
মা নাজমা ট্রলিতে শুয়ে আছেন। ভেতরে কাচের ঘরে তার সন্তান। কোনোমতে ঘাড় কাত করে বাচ্চাটিকে দেখতে পেয়েই হাউমাউ করে কেঁদে উঠলেন নাজমা। অনেক আকুতি জানালেন তার সন্তানকে একটি বারের জন্য তার বুকে দিতে।
কিন্তু ডাক্তার বললেন, এখন সম্ভব নয়। শিশুটি এখনো আশঙ্কামুক্ত নয়। যেকোনো সময় অনিরাপদ হয়ে উঠতে পারে তার জীবন। এই মুহূর্তে তাকে ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটেই রাখতে হবে। বাইরে বের করা যাবে না। নাজমার বুকফাটা কান্নায় তখন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে বাতাস ভারী। রাত গভীর হওয়ায় তার গগণবিদারী কান্না আরো তীব্র হয়ে উঠছিলো।
মেডিকেল কলেজ থেকে মাগুরানিউজ প্রতিনিধি আরো জানান, মিনিট দশেকের মধ্যেই মা নাজমা বেগমকে সরিয়ে নেয়া হয়। মা নাজমা নিজেও গুলি খেয়েছেন। অসুস্থ অবস্থায় মাগুরা থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এসে পৌঁছান। স্বামী বাচ্চু মিয়া ছিলেন তার পথসঙ্গী।
এর আগে সারা হাসপাতালে চাউর হয়ে গিয়েছিল, মা নাজমা বেগম আসছেন। মিডিয়ার কল্যাণে মা ও কন্যাশিশু এখন রীতিমতো ভিভিআইপি।
Like this:
Like Loading...