মাগুরানিউজ.কম:
মাছের অভয়ারণ্য ঘিরে দেশব্যাপী গ্রামীণ অবকাঠামো রাস্তাঘাট, হাট-বাজার, মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র, সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ করে সুষ্ঠু যাতায়াত ও বাজারজাতকরণের ব্যবস্থা করা হবে। যাতে মাছকে ঘিরে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নতি হয়।
গ্রামীণ জলাভূমিকে সঠিক কাজে লাগিয়ে জলজ সম্পদ বৃদ্ধি করা হবে, মূলত অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে। জলজ সম্পদ উৎপাদনের মাধ্যমে দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসকারী গ্রামের জনগণের আয়ও বৃদ্ধি করা হবে। এ লক্ষ্য সামনে রেখে প্রাথমিকভাবে ফরিদপুর, রাজবাড়ী, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, শরীয়তপুর, মাগুরা ও ঝিনাইদহ জেলার ৩৯টি উপজেলাকে বেছে নেওয়া হয়েছে।
মৎস্য সম্পদের উন্নয়ন ও বাজারজাতকরণের লক্ষ্যে ২০১৬ থেকে ২০২০ সাল মেয়াদে ৮৩০ কোটি টাকা ব্যয় করবে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়। কাজের মৌলিক বাস্তবায়নের ভার থাকবে বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদফতর ও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফরের ওপর। গ্রামীণ এলাকায় সামাজিক সংগঠন প্রতিষ্ঠা করে পুকুর ও জলাভূমিগুলোতে কিভাবে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি করা যায় সে লক্ষ্যে সংশ্লিষ্টরা বৈজ্ঞানিক ও কারিগরি প্রশিক্ষণের আওতায় আসবেন।
পুরুষের চেয়ে নারীদের মৎস্য কেন্দ্রীক কর্মকাণ্ডে বেশি সংখ্যক সম্পৃক্ত করা হবে। যাতে করে গ্রামীণ নারীরা আর্থিক মুক্তি পেতে সক্ষম হন।
একই সঙ্গে হাওর ও জলাভূমি উন্নয়নের জন্য গৃহিত মাস্টার প্লানে বন্যা ব্যবস্থাপনা, অবকাঠামো উন্নয়ন ও মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন চিহ্নিত করা হয়েছে। মূলত মৎস্য উন্নয়নকে সামনে রেখে গ্রামীণ অবকাঠামো ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাও শক্তিশালী হবে।
মৎস্য সম্পদের উন্নয়নে কিছু প্রশিক্ষণেরও ব্যবস্থা করা হবে। ফিস নেট পেন কালচার, ফিস কেচ কালচার, ব্যাকইয়ার্ড ফিস পন্ড কালচার প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। দাউদকান্দি মডেল অ্যাকুয়া কালচার, ফিস ড্রাই অ্যান্ড ফারমেনেশন প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা থাকবে। মূলত মাছকে ঘিরেই বাজার ও ঘাটের উন্নয়ন করা হবে। গ্রামীণ পর্যায়ে থাকবে উন্নত মানের ফিস ল্যান্ডিং সেন্টার।


