মাগুরানিউজ.কমঃ
মাগুরায় শপিং মলগুলোর ভিড়, জিনিসপত্রের উঠতি দাম কোনো কিছুই ঈদের কেনাকাটায় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না। আর তরুণীদের জন্য ঈদ মানেই মন মতো ও হাল ফ্যাশনের নতুন জামা, জুতা এবং আরও সব অনুষঙ্গ।
ঈদে বাজার ছেয়ে গেছে উদ্ভট নামের পোশাকে। সেইসব পোশাকের সঙ্গে বাংলাদেশের সংস্কৃতির কোনো সম্পর্ক তো পাওয়া যায়ই না, কিছু কিছু ক্ষেত্রে নামগুলো নারীদের জন্য অবমাননাকরও, বিক্রেতারা জানান তারাও বাধ্য হয়ে এসব নামে পোশাক বিক্রি করেন।
‘বাজিরাও মাস্তানি’, ‘আশেকি-মুসকান’, ‘সারাহ’, ‘সাথিয়া’, ‘তামান্না’, ‘ঈশিতা’ : উদ্ভট নামে ঈদের পোশাক. ‘বাজিরাও … মূলত ঈদ উৎসবকে পুঁজি করে মুনাফা বা অধিক বাণ্যিজের লোভে প্রতিবছরই কিছু মৌসুমী ব্যবসায়ীরা পোশাক নিয়ে এমন ‘নামের’ ব্যবসা করছেন।
গত প্রায় এক যুগ ধরে বাংলাদেশে ঈদের বাজারে পোশাকের নাম দেওয়ার একটা সংস্কৃতি চলে আসছে। শুধু নারীদের নয় পুরুষদের পোশাকেরও নামকরণ করা হয়। তবে নামকরণের প্রথায় নারীদের পোশাকই অগ্রগামী।
২০০৫ থেকে ২০১৫ পর্যন্ত বাজার পর্যালোচনা করলে দেখা যায় একই ধরনের বড় ঘের দেওয়া কামিজ কখনও জিপসি, কখনও আনারকলি কখনও পাখি জামা নামে বাজারে এসেছে। আদতে পোশাকের ধরণ একই ছিল সব সময়। সেই একই পোশাকের নাম এই বছর বাজিরাও মাস্তানি।


