মাগুরানিউজ.কমঃ
চলছে ওয়ালটন ঢাকা প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগ। মর্যাদার এই লিগে অংশ নিচ্ছেন জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা। সাথে বিদেশী ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণও লিগে বাড়তি উন্মাদনা ও আমেজ তৈরী করেছে।
আজ মিরপুরে ব্যাটিংয়ের সময় তাসকিন আহমেদের বলে মাথার নিচের অংশে আঘাত পেয়ে মাঠ ছাড়েন সোহরাওয়ার্দী শুভ।ভিক্টোরিয়ার ইনিংসে ২৫তম ওভারে এই দুর্ঘটনা। দলের ব্যাটিং ব্যর্থতার দিনে ভালোই আশা দেখাচ্ছিলেন ২১ রান করা সোহরাওয়ার্দী শুভ। কিন্তু তাসকিনের লো বাউন্সারে মাথার নিচের অংশে আঘাত পেয়ে মাঠ ছাড়তে হয় ভিক্টোরিয়ার সোহরাওয়ার্দী শুভকে।
আর প্রশ্নটা তখনই উঠে এল! লিগে অংশ নেওয়া ক্রিকেটাররা কতটুকু নিরাপদ? মাঠে দুর্ঘটনা যেকোনো সময়ই ঘটে যেতে পারে। কিন্তু সেই দুর্ঘটনা কাটিয়ে উঠতে কতটুকু প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে বিসিবি? সিসিডিএম? প্রশ্নটা শনিবার উঠে এল!
সোহরাওয়ার্দী শুভকে নিয়ে যাওয়ার জন্য স্টেডিয়াম পাড়ায় ছিল না কোনো অ্যাম্বুলেন্স। নিশ্চিতভাবেই প্রাথমিক চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যগত নিরাপত্তার কারণে অ্যাম্বুলেন্সের প্রয়োজন ছিল। শুভকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বিসিবির মাইক্রোবাসে!
স্ট্রেচারে করে মাঠের বাইরে নিয়ে যাওয়া হয় শুভকে। এরপর নিয়ে যাওয়া হয় অ্যাপোলো হাসপাতালে। হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে জরুরী চিকিৎসা দেওয়া হয়। সিটি স্ক্যান ও এমআরআই করানো হয়। বর্তমানে শঙ্কামুক্ত শুভ। তবে তাকে ২৪ ঘন্টা পর্যবেক্ষণে রেখেছেন ডাক্তাররা।
মিরপুরে স্টেডিয়াম থেকে অ্যাপোলো হাসপাতালের দূরত্ব ১২.১ কিলোমিটার। যানজট ঠেলে সেখানে শুভকে বহনকারী গাড়ী যেতে সময় লেগেছে প্রায় ৪৫ মিনিট। অ্যাম্বুলেন্সে যেতে পারলে অন্তত প্রাথমিক চিকিৎসা পেতেন শুভ। ভাগ্য সহায় বলে বড় কোনো ক্ষতির মুখোমুখি হননি বাঁহাতি এই অলরাউন্ডার।
প্রসঙ্গত, ১৯৯৮ সালে রমন লাম্বার মৃত্যু হয়েছিল ঢাকা প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগে খেলতে এসে।


