জিকা ভাইরাস: বিশ্বব্যাপী জরুরি অবস্থা ঘোষণা

মাগুরানিউজ.কমঃ
mn
আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ
জিকা ভাইরাসের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।
গতকাল এ বিষয়ে সংস্থা জরুরি বৈঠকে বসে। সেখানে বিশ্ব স্থাস্থ্যের বড় হুমকি এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে একীভূত পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানানো হয়। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি।
এতে বলা হয়, যেভাবে এ ভাইরাস দ্রুততার সঙ্গে ছড়িয়ে পড়ছে তাতে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এ ভাইরাসের সংক্রমণে আক্রান্ত নবজাতকরা অপরিণত ব্রেন নিয়ে জন্মাচ্ছে। তাই ইবোলা নিয়ে যে সচেতনতা সৃষ্টি হয়েছিল সেই একই রকম সচেতনতা সৃষ্টির এলার্ট জারি করেছে ডব্লিউএইচও। এর অর্থ হলো এ ভাইরাসকে নিয়ন্ত্রণে আনতে দ্রুততার সঙ্গে গবেষণা করে প্রতিকার বের করতে হবে। অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত শুধু ব্রাজিলেই এ ভাইরাসের সংক্রমণের খবর পাওয়া গেছে প্রায় ৪০০০।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক মার্গারেট চ্যান জিকা ভাইরাসকে একটি ব্যতিক্রমী ইভেন্ট হিসেবে উল্লেখ করে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেছেন। তিনি অন্তঃসত্ত্বা নারীদের রক্ষা ও তাদের গর্ভস্থ শিশুদের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষার বিষয়ে অগ্রাধিকার দিয়েছেন। বলেছেন, যে মশার মাধ্যমে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছে তার বিস্তার রোধ করতে হবে।
তিনি অন্তঃসত্ত্বা নারীদের এ ক্ষেত্রে কিছু পরামর্শ দিয়েছেন। বলেছেন, যে এলাকা জিকা ভাইরাস কবিলত সেখানে সফর করা বিলম্বিত করতে হবে। যদি জিকা ভাইরাসে আক্রান্ত এলাকায় কোন অন্তঃসত্ত্বা থাকেন তাহলে তাকে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। একই সঙ্গে এমন কিছু পরিধান করতে হবে যাতে মশার কামড় থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
বর্তমানে জিকা প্রতিরোধে কোন টিকা বা ওষুধ আবিস্কৃত হয় নি। এক্ষেত্রে একমাত্র ব্যবস্থা হলো এডিস জাতীয় মশা যাতে কামড়াতে না পারে সে দিকে লক্ষ্য রাখা। কারণ, এ মশার কামড়ের মাধ্যমে এই ভাইরাসের বিস্তার ঘটে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সতর্ক করেছে যে, এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় সর্বত্রই বিস্ফোরকের মতো বিস্তার ঘটছে জিকার।
ব্রাজিল সহ ২০টিরও বেশি দেশে এ ভাইরাস পাওয়া গেছে। বেশির ভাগ সংক্রমণই অল্প মাত্রার। ফলে বড় ধরনের কোন লক্ষণ পরিলক্ষিত হচ্ছে না। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে গুইলাইন-ব্যারি সিনড্রোম নামে প্যারালাইসিসের মতো লক্ষণ ধরা পড়েছে। তবে স্বাস্থ্য খাতে সবচেয়ে বড় হুমকি হলো অন্তঃসত্ত্বা নারী ও গর্ভস্থ শিশুর জন্য।
ওয়েলমকাম ট্রাস্টের পরিচালক ড. জেরেমি ফারার বলেন, এখনও সামনে অনেক পথ। ইবোলার মতো এবার জিকা বিশ্বকে বিপন্ন করে তুলছে। বাড়ছে এই সংক্রামক ভাইরাস। এর আক্রমণে বড় মাত্রায় ক্ষতি হয়ে যেতে পারে।
 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

June ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« May    
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  

ফেসবুকে আমরা

বিভাগ

দিনপঞ্জিকা

June ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« May    
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
%d bloggers like this: