মাগুরানিউজ.কমঃ
বিশেষ প্রতিবেদক-
যখন পাশে কেউ নেই তখন নিজেকে নিজেই রক্ষা করা ছাড়া উপায় কি, আর এমনটাই করে দেখালো মাগুরার শালিখার এক কিশোরী। নিজেকে নিজেই রক্ষা করলো এই কিশোরী। বন্ধ হলো তার বাল্যবিয়ে। বিয়ে বন্ধ করতে নিজেই উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট আবেদন জানায় এই ছাত্রী।
মাগুরার শালিখা উপজেলার পাঁচকাহুনিয়া গ্রামের মো. শহিদের মেয়ে দশম শ্রেণিতে পডুয়া মোছা. সাহিদা খাতুন। হরিশপুর দাখিল মাদ্রাসার ছাত্রী। সাহিদার মা তার অমতে যশোর শহরের ইমাম হোসেন নামের এক যুবকের সাথে বিয়ে ঠিক করে। কিন্তু সে রাজি না থাকায় সোমবার বিকালে তার এক বান্ধবীর সহযোগিতায় শালিখা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট তার আকুতির কথা লিখিতভাবে জানায়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মমিন উদ্দিন সাহিদার মামাকে ডেকে এনে বিয়ে না দেয়ার অঙ্গিকারনামায় সই নেন। এরপর তিনি মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা অনিতা মল্লিক, পুলিশ প্রশাসন, শতখালী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আবুল হোসেন ও ওই মাদ্রাসার সুপার মো. ইমদাদুলকে সঙ্গে নিয়ে মেয়ের বাড়িতে একটি মোবাইল কোর্ট বসান। এ সময় তার মাকে না পেয়ে সাহিদাকে মামার জিম্মায় রেখে আসেন।
এ ব্যাপারে সাহিদার একটাই কথা, আমি লেখাপড়া করতে চাই এবং ১৮ বছরের আগে বিয়ে করবো না।


