মাগুরানিউজ.কমঃ
প্রীতি গমেতির যখন দ্বিতীয় সন্তান হল, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে খুব দুর্বল হয়ে গেলেন তিনি। নবজাতক ছেলেকে মায়ের দুধ খাওয়ানো নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়ে যান তিনি। আবার সদ্যোজাত অসুস্থ ছেলেটির ব্যাপারে ডাক্তারের পরামর্শ তাকে বাঁচাতে হলে দ্রুত মায়ের দুধ খাওয়াতে হবে। এই দিশেহারা অবস্থা থেকে প্রীতিকে উদ্ধার করল ‘দিব্য মায়ের দুধের ব্যাংক’ (ডিএমডিবি)। ১৫ দিন বয়সে প্রীতির ছেলের ওজন ছিল মাত্র ৯০০ গ্রাম।
ডিএমডিবির দুধ খাওয়ানোসহ মাত্র ১০ দিনের শুশ্রূষাতেই তার ওজন দেড় কিলোগ্রামে উঠে আসে আর দ্রুতই সুস্থ হয়ে ওঠে শিশুটি। সদ্যোজাত শিশুর প্রাণ বাঁচানো এবং মায়েদের সহায়তায় কাজ করে যাচ্ছে এই সংস্থাটি।
দিব্য মায়ের দুধের ব্যাংক ছাড়াও ভারতের বিভিন্ন জায়গায় অন্তত ১০টি মায়ের দুধের ব্যাংক গড়ে উঠেছে। এর মধ্যে আরকেটি প্রখ্যাত ব্যাংক হচ্ছে সিওন হসপিটাল হিউমান মিল্ক ব্যাংক। হিন্দুস্থান টাইমস জানায়, ভারতে প্রতি এক হাজারে শিশুমৃত্যুর হার ৪৪।
সেভ দ্য চিলড্রেন এবং লন্ডন স্কুল অব হাইজিন অ্যান্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিনের অধ্যাপক জয় লোনের তৈরি করা এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে শুধু ২০১২ সালেই পুরো ভারতে জন্মের প্রথমদিনেই মারা গেছে অন্তত ১০ লাখ শিশু। ‘দিব্য মায়ের দুধের ব্যাংক’ পরিচালনা করে মা ভগবতী বিকাশ সংস্থা নামের একটি বেসরকারি সংস্থা। এই দুধ ব্যাংকের পাশাপাশি অসহায় কন্যাশিশুদের আশ্রয় ও পরিচর্যার একটা প্রকল্পও পরিচালনা করে থাকে সংস্থাটি।


