মাগুরানিউজ.কমঃ
উৎসাহ উদ্দীপনা আর শ্রদ্ধাভরে শহরের পাশাপাশি মাগুরার বিভিন্ন গ্রামাঞ্চলের প্রাথমিক বিদ্যালয় ও পাড়া মহল্লায় অস্থায়ী শহীদ মিনার তৈরি করে অনুষ্ঠিত হয়েছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের আনুষ্ঠানিকতা। অবকাঠামোর অভাব থাকলেও আন্তরিকতার অভাব ছিল না। সাধ্যমত শহীদ মিনার তৈরি করেই শিশুরা পালন করেছে ভাষা শহীদ দিবস।
মাগুরার গ্রামাঞ্চলের অধিকাংশ প্রাথমিক বিদ্যালয়েই শহীদ মিনার নেই। কিন্তু স্থায়ী শহীদ মিনার না থাকলেও গ্রামের কোমলমতি শিশুদের তৈরি কলাগাছের তৈরি শহীদ মিনারেই দেওয়া হয়েছে পুস্পার্ঘ।
এ উপলক্ষে শিশুরা সেজেছিল বর্ণিল ফুলের সাজে। ভালোবাসার রঙে সাজিয়েছে স্বপ্নের শহীদ মিনার। এ সমস্ত শিশুরা আশা করে তাদের স্কুলে তৈরি হবে স্থায়ী শহীদ মিনার।
সদর উপজেলার মির্জাপুর গ্রামের মির্জাপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ একাধিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দেখা গেছে শিশুরা কলাগাছ দিয়ে শহীদ মিনার তৈরি করে তাতে ফুল দিয়ে সাধ্যমত সাজিয়েছে। পরে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি এই গান গেয়ে ও ফুল দিয়ে শহীদদের ভালোবাসা জানায়।
একইভাবে শহরতলির দরি মাগুরা এলাকায় শিশুরা কলাগাছ দিয়ে শহীদ মিনার তৈরি করে তাতে কাগজ এটে সাধ্যমত রঙিন করে তুলেছেন তাদের প্রাণের শহীদ মিনার।
অন্যদিকে সদর উপজেলার ইছাখাদা বাজারে ৩ শতাধিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে একই সঙ্গে তোলা হয় নতুন জাতীয় পতাকা।
ইছাখাদা বাজার বণিক সমিতির সভাপতি জানান- প্রতি বছর জাতীয় দিবস সমূহে বাজার কমিটির পক্ষ থেকে আমরা ব্যতিক্রমী কিছু আয়োজন করে থাকি। এ বছর ২১ শে ফেব্রুয়ারিকে স্মরণীয় করে রাখতে আমরা বাজারে সকল ব্যবসায়ী একই আকারের পতাকা একই আকারের বাঁশের সঙ্গে উত্তোলন করেছি। আমরা মনে করি নতুন প্রজন্মের মাঝে একুশের চেতনা ছড়িয়ে দিতে বিশেষ দিনগুলোতে সবাই মিলে উদ্যোগ নেওয়া উচিত।



