মাগুরানিউজ.কমঃ
ক’দিন থেকেই ভোরবেলা হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা পড়তে দেখা গেছে। কুয়াশার পরিমান বেড়ে যাওয়ায় সকালে সূর্য ওঠার পরও জমির আইল দিয়ে হাটলে শরীর ভিজে যাচ্ছে। শীষ বের হওয়া আমন ধানের গাছে শিশির সূর্য ওঠার অনেক পর পর্যন্ত লেগেই থাকছে।
মধ্যরাতের পর টিনের চালা থেকে পড়ছে হালকা বৃষ্টির মত পানি। সকালে গাছ-গাছালিতে জমে থাকছে শিশির। সূর্য ওঠার অনেক পর পর্যন্ত জমে থাকা শিশির দেখা যাচ্ছে।
এদিকে শীতের প্রস্তুতি হিসেবে অনেকেই পুরনো শীতবস্ত্র ঠিকঠাক করে নিচ্ছেন। আবার অনেকে নতুন করে লেপ-তোষক তৈরি করে নিচ্ছেন। প্রত্যন্ত অঞ্চলে নিম্ন আয়ের মানুষদের শীত নিবারণের একমাত্র অবলম্বন কাঁথা। এসব পরিবারের নারী সদস্যরা এখন কাজের ফাঁকে তাদের পুরনো কাঁথা সেলাই আর ছেড়া শাড়ি-লুঙ্গি দিয়ে নতুন কাঁথা তৈরীতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।
এখন জেলার সর্বত্র চলছে শীতকে বরণ করার প্রস্তুতি। জেলা শহর ও মাগুরার চারটি উপজেলার হাট-বাজারগুলোতে লেপ-তোষক তৈরির কারিগরদের কাজের গতি বেড়ে গেছে। তাদের এখন দম ফেলার ফুরসত নেই।
শহরের লেপ-তোষকের দোকানগুলোতে দেখা গেছে কারিগররা নতুন লেপ তৈরিতে ব্যস্ত। একাজে নিয়োজিত কারিগর আবুল কালাম জানান, প্রতিটি লেপের মজুরি ২ থেকে ৩শ’ টাকা। এ সময় লোকজন বাড়িতে ব্যবহারের জন্য লেপ-তোষক তৈরি করতে আসছেন। তাই ক্রেতাদের ভিড় আগের চাইতে বেশি।
এদিকে শীতের আগমনে কিছুসংখ্যক ব্যবসায়ী বাই সাইকেলে করে গ্রামে গ্রামে লেপ-তোষক ফেরি করে বিক্রি করছেন। রহিমউদ্দিন নামে একজন লেপ ফেরিওয়ালা জানান, শীতের সময় লেপের চাহিদা থাকায় তারা গ্রামে গ্রামে ফেরি করে চলেছেন। একটি লেপ বিক্রি করে ৫০ থেকে ১০০ টাকা লাভ হয় বলে তিনি জানান।


