মাগুরানিউজ.কমঃ
মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলা চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা খাঁন জাহাঙ্গির আলম বাচ্চুর সাজানো গুম নাটকের প্রতিবাদে উপজেলা ছাত্রলীগের একাংশ শুক্রবার দুপুরে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল করেছে।
মিছিলকারীরা উপজেলা পরিষেদের মধ্যে তার সরকারি অফিস ও বাসভবনে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেছে। মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল হাসান ও ওসি মতিয়ার রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
পুলিশ জানায়, উপজেলা চেয়ারম্যান বাচ্চু গুম হয়েছেন এবং তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে তার ছোট ভাই নান্নু খাঁন বৃহস্পতিবার রাত পৌনে নয়টারদিকে থানায় অভিযোগ করেন।
এ ঘটনায় পুলিশ প্রশাসনে শুরু হয় তোলপাড়। দুই জন সহকারি পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে দুই প্লাটুন পুলিশ নিয়ে চলে তাকে উদ্ধার অভিযান। বিষয়টি খুলনা পুলিশের রেঞ্জ পর্যন্ত গড়ায় । পাশ্ববর্তী জেলাগুলোতেও শুরু হয় অভিযান।
রাতে পৌনে বারোটার দিকে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক উপজেলা চেয়ারম্যান বাচ্চুর সরকারি গাড়ি ও তার ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ফোন উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সের মধ্যে সরকারি বাসভবন ও অফিসের সামনে থেকে উদ্ধার করে পুলিশ।
এ সময় তার গাড়িচালক ফিরোজ মিয়া নিঁখোজ ও তার ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় পুলিশের সন্দেহ আরো ঘনিভূত হয়। পরে রাত পৌনে তিনটার দিকে বাচ্চু পুলিশের সামনে হাজির হন। তিনি পার্শ্ববর্তী ফরিদপেুরের বোয়ালমারি এলাকায় আত্মিয়ের বাসায় ছিলেন বলে জানান।
এই ঘটনায় সরকারকে বেকায়দায় ফেলা ও ভাবমূর্তি ক্ষুন্নের চক্রান্তের প্রতিবাদে উপজেলা ছাত্রলীগের একাংশ শুক্রবার দুপুরে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল করে। মিছিলটি উপজেলা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মিছিলকারীরা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের সরকারি অফিস ও বাসভবনে হামলা চালিয়ে ক্ষতি সাধন করে।
তারা বাসভবনের নিচ তালার একটি কক্ষে প্রবেশ করে আসবাবপত্র ও জানালা দরজা ভাঙচুর করে। পরে পুলিশ আসলে তারা চলে যান। মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল হাসান ও ওসি মতিয়ার রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
জাহাঙ্গির আলম বাচ্চু পুরো বিষয়টি ষড়যন্ত্র বলে জানান। মহম্মদপুর থানার ওসি মতিয়ার রহমান বলেন এ ঘটনায় পুলিশ তদন্ত করছে।

