আজ বৃহস্পতিবার, জুন ২৫, ২০২৬ ইং
loading....
শিরোনাম:
- শ্রীপুরে ব্রাজিল সমর্থকদের উদ্যোগে আনন্দ মিছিল ও মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত
- শ্রীপুর ওয়ালটন প্লাজার উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত
- শ্রীপুরে দুর্নীতি দমন কমিশনের আয়োজনে বিতর্ক প্রতিযোগিতা, পুরস্কার বিতরণী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
- শ্রীপুরে ডেঙ্গুসহ মশা বাহিত অন্যান্য রোগ প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান
- জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতায় বিভাগীয় পর্যায়ে প্রথম শ্রীপুরের সন্তান সাকিন
- শ্রীপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক র্যালি ও লিফলেট বিতরণ
- শ্রীপুরে দু-দল গ্রামবাসীর সংঘর্ষে আহত ৩, দোকানঘর ও বাড়িঘর ভাঙচুর
- শ্রীপুরে ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত
- শ্রীপুরে কোরবানির জন্য কেনা গরু চুরি
- শ্রীপুরে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার
মাগুরানিউজ.কমঃ
মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ কামারুজ্জামানের ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে। ফাঁসি কার্যকর হওয়ায় শেরপুরের নালিতাবাড়ীর সোহাগপুর গ্রামের বিধবা ও শহীদ পরিবারের সদস্যসহ দেশের সর্বস্তরের জনগন খুব খুশি। খুশি মাগুরার মুক্তিযোদ্ধারা।
মুক্তিযুদ্ধের বীর সেনানী, মাগুরার মুক্তিযুদ্ধের কিংবদন্তি মহানায়ক, শ্রীপুর বাহিনী তথা ‘আকবর বাহিনী’ প্রধান আকবর হোসেন মিয়া যুদ্ধাপরাধীদের বিচার তথা কামারুজ্জামানের ফাঁসি কার্যকরের রায় বহাল থাকায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। জানিয়েছেন মাগুরার সকল মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষ থেকেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে অভিন্দন ও কৃতজ্ঞতা। তিনি বলেন, জীবনের শেষ প্রান্তে এসেও ঘাতকের ফাঁসি দেখে যেতে পারছি, এতেই আমরা খুশি।
তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে মাগুরার সকল মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষ থেকে বিশেষ কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের রায় কার্যকর করার জন্য।
আকবর হোসেন- মাগুরার অতিচেনা সংগ্রামী এক মানুষ। মহান মুক্তিযুদ্ধে তাঁর বীরোচিত ভূমিকার কারণে মাগুরার পাশাপাশি রাজবাড়ী, ঝিনাইদহ, ফরিদপুর, কুষ্টিয়ায় তাঁর বাহিনী ‘আকবর বাহিনী’ হিসেবে পেয়েছিল স্বতন্ত্র স্বীকৃতি। একাত্তরে তাঁর বাহিনী এসব অঞ্চলে হানাদারদের বিরুদ্ধে কমপক্ষে ২৭টি সশস্ত্র যুদ্ধ অংশ নেয়। রণকৌশল, অস্ত্র সংগ্রহ, প্রশিক্ষণ, যোদ্ধা নির্বাচন- সবকিছুই নিজ বিচক্ষণতায় নির্ধারণ করেছেন শ্রীপুরের ‘আকবর বাহিনী’প্রধান আকবর হোসেন মিয়া। জীবন সায়াহ্নে এসে আজও সেসব বীরত্বগাথা তাঁর স্মৃতিতে সদা দীপ্যমান। জানালেন জীবনের শেষ প্রান্তে এসেও ঘাতকের ফাঁসি দেখে যেতে পারছেন এটাই জীবনের সবচেয়ে বড় পাওয়া।


