মাগুরানিউজ.কমঃ

চার ম্যাচে পাঁচ পয়েন্ট নিয়ে ইংল্যান্ডের চেয়ে ঢের ভালো অবস্থানে বাংলাদেশ। মরগ্যানের মতো মরণ-বাঁচন ম্যাচ নয় এটি সাকিবদের জন্য। সোমবার হারলেও শেষ আটে যাওয়ার সুযোগ থাকবে। তবে কাগজে-কলমে সেই সম্ভাবনা যতটা উজ্জ্বল দেখাচ্ছে, বাস্তবের ছবিটা তেমন নয়। এই ম্যাচে হারলে বাংলাদেশের জন্য সমীকরণটা এমন দাঁড়াবে যে, নিজেদের শেষ ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে হারাতে হবে অথবা আফগানিস্তানের কাছে ইংল্যান্ডের হার কামনা করতে হবে। সেটা হবে অসম্ভবের আশায় বুক বাঁধা। তাই যা করার সোমবারই করতে হবে।
আগের ম্যাচে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ৩১৯ রান তাড়া করে জয়, ব্যাটসম্যানদের রানে ফেরা, ২০১১ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জয়; সব মিলিয়ে বাংলাদেশকে অনেকটাই এগিয়ে রাখছে। তবে ম্যাচটি বাংলাদেশের জন্য ‘সত্যিকারের চ্যালেঞ্জ’ হিসেবে মানছেন অধিনায়ক মাশরাফি। বাংলাদেশ দলও সেই চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত। রোববার ম্যাচ পূববর্র্তী সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক মাশরাফি বলেছেন, ‘আমাদের সামনে সত্যিকারের চ্যালেঞ্জ। ছেলেরা সবাই আত্মবিশ্বাসী। আমরা খুব রোমাঞ্চিত। সবাই সেরা খেলাটা খেলার জন্য অপেক্ষা করছে।’
বিশ্বকাপে বাংলাদেশের পরিকল্পনা ছিল স্কটল্যান্ড ও আফগানিস্তানকে হারানোর পর একটি বড় দলকে হারানো। প্রথম দুটি দলকে হারিয়ে বাংলাদেশ এখন ইংল্যান্ডের সামনে। তবে মাশরাফি নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে চাননা। সোমবারই কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করতে চান। এই বিষয়ে তিনি বলেছেন,‘আমরা ভালো ক্রিকেট খেলেছি, আমাদের সামনে ভালো সুযোগ এসেছে। আমাদের আরো একটা সুযোগ আছে। কিন্তু একটা একটা করে এগুনোই ভালো। তবে আপাতত আমাদের সামনের ম্যাচের দিকে মনোযোগ দেয়া দরকার, আর আমরা তাই করছি।’
ইংল্যান্ড ম্যাচের আগে ১৬ কোটি মানুষের প্রত্যাশা পূরণের চাপ অনুভব করছে টাইগাররা। কিন্তু সেই চাপ কাটিয়ে আনন্দ করার অপেক্ষাতেই রয়েছেন সাকিব-মাশরাফিরা, ‘দেশে ১৬ কোটি মানুষ অপেক্ষা করছে, তাই চাপতো কিছুটা থাকবেই। এটা থেকে বের হয়ে আসাও অন্যরকম আনন্দ। সবাই সেই আনন্দই পেতে চাচ্ছে। সবাই যেন আবার আনন্দ করতে পারে আমরা সেই চেষ্টাই করবো। কারণ আমরা জানি দেশের সব মানুষ আমাদের জন্য প্রার্থনা করছেন, আমরা যেন ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ভালো করি।’

