বিশেষ প্রতিবেদক-
শালিখা উপজেলার গঙ্গারামপুর ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী পুলুম গোলাম ছরোয়ার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১৯৯৮ সালে ব্র্যাকের সহযোগিতায় ট্রাস্টি বোর্ডের আওতায় নির্মিত একমাত্র পাঠাগারটি ভেঙ্গে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে দোকান ঘর তৈরী করা হয়েছে। অত্র পাঠাগারটি নির্মাণের উদ্যোগের সাথে সকলের প্রিয় কিংবদন্তীতুল্য প্রধান শিক্ষক মরহুম শেখ শামছুর রহমান যুক্ত ছিলেন এবং তাঁর উদ্যোগের সাথে অসংখ্য প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও সমাজের বিদ্যানুরাগী গুনীজন আর্থিক সহযোগিতার মাধ্যমে সামিল হয়েছিলেন এবং অনেকেই আজীবন সদস্য ফি প্রদান করে পাঠাগারটির সম্মানিত সদস্য পদ গ্রহণ করেন।
উক্ত পাঠাগারটি এলাকার একমাত্র পাঠাগার যার সাথে এলাকার বিদ্যোৎসাহী সুধীজনের আত্মিক ও আবেগের সম্পর্ক বিদ্যমান। বর্তমান প্রধান শিক্ষক জনাব মির্জা আব্দুল গফ্ফার বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির একাংশের সহযোগিতায় পাঠাগারটি ভেঙ্গে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে দোকান ঘর তৈরী করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
বর্তমান প্রধান শিক্ষক জনাব মির্জা আব্দুল গফ্ফার ২০১৩ সালে এ বিদ্যালয়ে যোগদানের পর থেকেই তিনি প্রয়াত প্রধান শিক্ষক শেখ শামছুর রহমানের স্মৃতিধন্য ঐতিহ্যবাহী এই প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনায় চরম অদক্ষতার পরিচয় দিচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে শিক্ষার্থী-অভিভাবক ও সুধীজনদের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে।
উল্লেখ্য, পুলুম গোলাম ছরোয়ার মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি ১৯৫৭ সালে প্রতিষ্ঠিত এবং জেলার প্রত্যন্ত পল্লী এলাকায় অবস্থিত হলেও শিক্ষা, সংষ্কৃতি ও ক্রীড়া ক্ষেত্রে অনন্য ধারাবাহিক সফলতার কারণে মাগুরা জেলা তথা যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও ঐতিহ্যবাহী মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গত ৫ দশক যাবত উজ্জ্বল অবস্থান সমুন্নত রাখতে সক্ষম হয়েছে।

