মনিরুল ইসলাম, বিশেষ প্রতিবেদক-
আজ সোমবার, এপ্রিল ২০, ২০২৬ ইং
loading....
শিরোনাম:
- শ্রীপুরে বিদ্যুৎপৃষ্টে যুবকের মৃত্যু
- শ্রীপুরে ইজিবাইক উল্টে বৃদ্ধ নিহত, আহত পরিবারের তিন সদস্য
- শ্রীপুরে "হাম - রুবেলা টিকাদান" ক্যাম্পেইন উপলক্ষে উপজেলা সমন্বয় কমিটির সভা
- শ্রীপুরে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ওষুধ ও যন্ত্রপাতি সরবরাহ
- শ্রীপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত
- শ্রীপুরে ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগ প্রতিরোধে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান
- শ্রীপুরে সড়কের পাশ থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার
- শ্রীপুরে গৃহবধূ লিমা খাতুন হত্যা, ঘাতক স্বামী গ্রেফতার
- শ্রীপুরে বিনামূল্যে পাট বীজ বিতরণ
- মাগুরা নিউজের প্রতিষ্ঠাতা, সম্পাদক ও প্রকাশক অ্যাডভোকেট রাজীব কুমার মিত্র জয়ের ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী আজ
শালিখা উপজেলার রায়জাদাপুর আদাডাঙ্গা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবনের বারান্দার ছাদ ধসে পড়েছে । মঙ্গলবার রাতে আকস্মিক ভাবে বিদ্যালয়ের বারান্দার ছাদ ধসে পড়ে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তপতী রায় জানান, ২০১৩ সালে বিদ্যালয়ের ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে হঠাৎ করে বিল্ডিংয়ের ছাদ ধসে পড়ে। আমাদের বিদ্যালয়ে ভবন না থাকার কারণে আমরা সেখানে ক্লাস করাই। প্রতিনিয়ত আমাদের ছেলে মেয়েদের ঝুঁকি নিয়ে পড়াতে হয়। আমাদের এই বিদ্যালয়ের নতুন বিল্ডিংয়ের জন্য দরখস্ত দিয়েছিলাম এমপির ডিও লেটার সহকারে। কাগজ কলমে আমাদের বিল্ডিংটি এসেছে। কয়েকবার মাটিও পরীক্ষা করে নিয়ে গেছে। অথচ আজও আমাদের বিদ্যালয়ের ভবনটি করা হয় নি। কাগজ কলমে যেহেতু এসেছে তাহলে ভবনটি গেল কোথায়? জরাজীর্ণ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তালিকায়(জিপিএস) এ ১৪ টি বিদ্যালয়ের নাম আছে। প্রত্যেকটি বিদ্যালয়ে ৫ কক্ষ বিশিষ্ট ভবন থাকার কথা। যার ইএমআইএস নাম্বার ৯৯২০৫০৩৯০০৩। সব স্কুলগুলোর নতুন ভবন নির্মাণ হয়েছে। কিন্তু রায়জাদাপুর আদাডাঙ্গা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবনটি হয় নি।
বিদ্যালয়ের সভাপতি মোঃ মনিরুজ্জামান বলেন, বিদ্যালয়ে ছেলে- মেয়েদের ঝুঁকির মধ্য দিয়ে ক্লাস করতে হচ্ছে। দুইটা শেড এ কিভাবে একশত ছেলে মেয়ে পড়বে। নতুন ভবনের মাটি পরীক্ষা করে নিয়ে গেছে তারপর কি কারণে ভবনটি নির্মাণে দেরি হচ্ছে আমার জানা নেই।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আকবর হোসেন বলেনন,রায়জাদাপুর আদাডাঙ্গা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন ধসের বিষয়টি আমি জেনেছি। পুরাতন ভবনটি ২০১৩ সালে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। সেখানে কোনো ক্লাস হয় না। ক্লাস নেওয়ার জন্য সেখানে দুইটা শেড করে দেওয়া হয়েছে। ২০১৬ সালে নতুন ভবন স্থাপনের নোটিশ এসেছে কিন্তু কেন এখনও ভবনটি নির্মাণ হয়নি তা আমি বলতে পারবো না। ভবনটির মাটি পরীক্ষা করার জন্য প্রকৌশলীকে বলা হয়েছিল তিনি মাটিও পরীক্ষা করেছেন কিন্তু তারপর কি হয়েছে সে বিষয়ে আমি জানি না। বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বলেছেন ভবন ধসের আগে সেখানে আমরা ক্লাস নিয়েছি কিন্তু উপজেলা শিক্ষা অফিসার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন বিদ্যালয়ের বিল্ডিংটি পরিত্যক্ত ঘোষণার পর কোনো ক্লাস হয়নি।
এব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী শোয়েব মোহম্মদ বলেন , বিদ্যালয়ের মাটি পরীক্ষা করে আমরা রিপোর্ট ঢাকায় পাঠিয়েছি। কিন্তু ঢাকা থেকে আমাদের কোনো নোটিশ আসিনি। যার ফলে ভবনটি এখনও নির্মাণ হয়নি।

