মাগুরানিউজ.কমঃ
পাঠ্যবইয়ে জসীমউদ্দীনের কবিতায় নুরু-পুষি-আয়েশা-শফিরা সবাই মিলে বোশেখ মাসের নির্ঘুম দুপুরে বাগানের গাছের ছায়ায় যা করতো, -তার নামই চড়ুইভাতি, রবি ঠাকুরের ভাষায় ‘চড়িভাতি’, আবার তার নামই বনভোজন, আজকাল যার নাম পিকনিক। এই শিশুদের বক্তব্যও তাই।‘চড়ুইভাতি‘ আবার কি? এটা ‘পিকনিক’।
পাশের ক্ষেত থেকে ফুলকপি, সদ্য সদস্য পদপ্রাপ্তদের বাড়ী থেকে ডিম, সেই সঙ্গে মায়েদের হিসেবী সংসারের একটুখানি তেল-মসলা সংগ্রহ করেই উৎযাপিত হচ্ছে এ মহতী কার্যক্রম !
৩টি ইট দিয়ে চুলা বানিযে বারো সংসারের তের রকম চাল ও মায়েদের ভাঁড়ার থেকে চুপেচাপে লোপাট করা বাদবাকী সামগ্রীর সংমিশ্রনে বারবার কাঁনডলা খেয়ে ফুঁ দিয়ে দিয়ে চুলোর আগুন চাঙ্গা করে কোনরকম অর্ধসিদ্ধ সেই অমৃত কলার পাতায় খেতে খেতে ওদের আনন্দময় মুখগুলো ফেলে আসা দিনের কথা মনে পড়িয়ে দেয়।


