বাড়ির নারীরাই মূলত বড়ি তৈরি করে। পুরুষরা বাজারজাত করে থাকেন। মাষকলাই পানিতে ভিজিয়ে নরম করে তার সাথে পাকা বা বুড়ো চালকুমড়া পাটায় বেটে বিশেষ প্রক্রিয়ায় বড়ি তৈরি করে রোদে শুকানো হয়। বাড়ির আঙিনায় সারি সারিভাবে কুমড়া বড়ি তৈরি করে রোদে শুকাতে দেয়া হয়।
বড়িগুলো সম্পূর্ণ শুকিয়ে গেলে সেগুলোকে বাজারে তুলে বিক্রি করা হয়ে থাকে। বাজারে কুমড়ো বড়ির কদর থাকায় পরিবারগুলো বাড়তি আয়ের সুযোগ পেয়ে থাকে। স্থানীয় বাজারে সুস্বাদু হিসেবে কুমড়ো বড়ির বেশ কদর রয়েছে।
কুমড়োর বড়ি তৈরির কারিগর মনোয়ারা-রাবেয়া-শাহানুর জানান, অনেক পরিশ্রম জড়িত রয়েছে কুমড়োর বড়ি তৈরিতে। রাত জেগে শীল-পাটায় কেজি কেজি ডাল বাটা সহজ কাজ নয়। তবুও পেটের তাগিদে অনেক কষ্ট করে আমাদের কুমড়োর বড়ি তৈরি করতে হয়। শীত মৌসুমে এ বড়ি তৈরি করে সংসারে বাড়তি আয় কিছু করা সম্ভব হয়।


