তরুণীর প্রতিবেশীরা গণমাধ্যমে বলেন, শুক্রবার ওই প্রতিবন্ধী তরুণীকে বাড়িতে একা রেখে তার বাবা-মা আত্মীয়ের বাড়িতে যান। বিকাল ৩টার দিকে মেয়েটির কান্নার শব্দ পেয়ে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে মাগুরা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়।
হাসপাতালের জ্যেষ্ঠ স্টাফ নার্স পুষ্প রানী বিশ্বাস গণমাধ্যমে বলেন, মেয়েটির শরীরে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। তাকে হাসপাতালে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
তরুণীর বাবা-মার অভিযোগের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ওসি ইলিয়াস হোসেন