মঙ্গলবার, ১৭ জানুয়ারী ২০১৭, ০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন

মাগুরা শহরে সন্ধায় গরম গরম শীতের পিঠা, তবে শুধুই ভাপা
প্রকাশিত হয়েছে

মাগুরানিউজ.কমঃ

mnewsবিশেষ প্রতিবেদক-

শীতের আগমনী বার্তা নিয়ে হেমন্ত হাজির হয়েছে বাংলার প্রকৃতিতে। মিইয়ে এসেছে দিনের রোদের প্রখরতা, তাতে রয়েছে এক হিমেল পরশ। সন্ধ্যা নামলে হিম ভাব বোঝা যায় আরও বেশি করে। বাক্সবন্দী শীতের কাপড়-চাদরের কদর শুরু হয়েছে।
গ্রামাঞ্চলে এখন ঠান্ডার ভাব শহরের তুলনায় অনেক বেশি।

পিঠা ছাড়া বাংলার শীত পরিপূর্ণ হয় না। সকালে কাঁপতে কাঁপতে পিঠা খাওয়া গ্রামের পরিচিত দৃশ্য। শীতের পরিচিত এই অনুষঙ্গ পিঠার চল মাগুরা শহরেও আছে। অবশ্য ব্যস্ত নাগরিক জীবনে ঘরে পিঠা বানানোর সময় মেলা ভার। বাইরের দোকানই ভরসা। তাই শহরের বিভিন্ন এলাকায় ভ্রাম্যমাণ এসব পিঠার দোকানে বসেছে।

ছোট-বড় বিভিন্ন সড়কের পাশে জনসমাগম স্থলে ও বাজারের আশপাশে পিঠা বিক্রি হচ্ছে দেদার।

চালের গুঁড়া, নারকেল, খেজুরের গুড় ও লবণ—এ পিঠার মূল উপাদান। জানালেন শহরের পিঠা বিক্রেতা মো. জাহাঙ্গীর। তিনি আরও জানান, খুব ভোরে আর সন্ধ্যায় বেশি চাহিদা থাকে পিঠার। ভাপা পিঠা প্রতিটি পাঁচ টাকা করে বিক্রি করছেন তিনি।

সোমবার বিকেলে শিক্ষার্থী রাফিউল ইসলাম পিঠা খেতে খেতে বললেন, বাড়িতে এই সময়ে সকালের নাশতা হয় গরম ভাপা পিঠা দিয়ে। এখানে সেই স্বাদ নেওয়ার চেষ্টা করছি। পিঠার দোকানও বেশ সরগরম। ক্রেতা নাজির বেশি নারকেল আর বেশি করে গুড় দিয়ে স্পেশাল পিঠা তৈরি করে নিয়ে যাচ্ছেন বাসায়।

তাঁর একই কথাও, ‘গ্রামের মজা তো শহরের বাসায় তৈরি করা সম্ভব নয়। তাই দোকানের পিঠার ওপর নির্ভর করতে হয়।’

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *