মাগুরানিউজ.কমঃ
আমে এখন মাগুরার জয় জয়কার। এ বছর মাগুরায় আমের বাম্পার ফলন হয়েছে। গাছে গাছে রঙ ধরছে ডাসা ডাসা আমে। পাকতে শুরু করেছে আম। রঙিন আম জানান দিচ্ছে মধুমাস সমাগত। সবকিছু ঠিক থাকলে জ্যৈষ্ঠের শুরুতেই বাজরে পুরোদস্তুর আম উঠতে শুরু করবে।
কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, চলতি মে মাসের মাঝামাঝি প্রায় সব গাছের আম পাকতে শুরু করবে।
এক সময় আম বলতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী অঞ্চলকেই জানতো মানুষ। তবে মাগুরায় এখন বাণিজ্যিক ভিত্তিতে প্রায় সব জাতের আমের উৎপাদন হচ্ছে। লাভজনক হওয়ায় প্রতিবছর কৃষি জমিতে বাড়ছে আমের আবাদ।
কৃষি বিভাগ জানায়, জেলার চার উপজেলায় ১ হাজার ২৫৪ হেক্টর জমিতে আমের আবাদ হয়েছে। কৃষকদের দাবি, বাস্তবে আবাদের পরিমাণ আরও বেশি। আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৭ হাজার ৩৯৮ মেট্রিক টন। এছাড়া প্রতিটি বাড়িতে ১০/২০টি দেশি অথবা কলমের উন্নত জাতের আমের গাছ রয়েছে। প্রতি বছর আম বাগানের সংখ্যা ক্রমশই বাড়ছে।
২০০৫ সালের পর থেকে আম বাগানের সংখ্যা বাড়তে থাকে। নতুন আম বাগানগুলোর অধিকাংশই উন্নত জাতের। বিশেষ করে নিয়োমিত জাত ল্যাংড়া, গোপালভোগ, ক্ষিরসাপাত, আশ্বিনা জাতের বেশি। সেই সঙ্গে গবেষণাকৃত বারি-৩, বারি-৪ জাতের বাগান তৈরির ক্ষেত্রেও আগ্রহী হয়ে উঠছে অনেকে। লাভজনক হওয়ায় কৃষি জমিতে বাড়ছে আম চাষ।
মাগুরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক পার্থ প্রতীম সাহা বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে চলতি মাসের মাঝেরদিকে পাকা আম বাাজারে তুলতে পারবেন কৃষক। তবে আমে যেন কোন রাসায়নিক দিয়ে পাকিয়ে বাজারজাত না করা হয় এ জন্য কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে বাজার মনিটরিং করা হচ্ছে।


