ভেজাল সার-কীটনাশক তৈরীর কারখানা সিলগালা ।। মালিক পলাতক, ম্যানেজারের দন্ড

মাগুরানিউজ.কমঃ বিশেষ প্রতিবেদক – 

ভেজাল সার ও ক্ষতিকর কেমিক্যাল ব্যবহার করে কীটনাশক তৈরীর একটি কারখানা সিলগালা ও  ম্যানেজারকে ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৩ মাসের কারাদন্ডাদেশ দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত।

আজ মঙ্গলবার বিকালে মাগুরা সদর উপজেলার শ্রীকান্তপুর গ্রামে মোস্তাফিজুর রহমান কাজল নামে এক ব্যক্তির অবৈধ কারখানা থেকে উদ্ধার হয়েছে বিপুল পরিমান ভেজাল সার ও কীটনাশক। এ সময় মোস্তাফিজুর রহমান কাজলকে পাওয়া যায়নি। ম্যানেজার মফিজুর রহমানকে নগদ ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৩ মাসের কারাদন্ডাদেশ দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। মাগুরা  সদর উপজেলার সহকারি কমিশনার(ভূমি) মাহবুবুল আলম ও সদর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা রুহুল আমীনের নেতৃত্বে একটি ভ্রাম্যমান আদালত এ অভিযান চালায়।

অভিযানে উদ্ধারকৃত ভেজাল সার কীটনাশকের মধ্যে রয়েছে ৪ হাজার ২’শ কেজি ম্যাগনেসিয়াম সালফেট, ৬২ বস্তা ডলোচুন, ৩ হাজার ৭৬০ কেজি জিপসাম সার, ২৫ বস্তা পাথর কুচি, ৮ বস্তা বালি, ২৫ প্যাকেট দস্তা, কনফিডেন্স নামে বিপুল পরিমান ভেজাল কীটনাশকসহ কীটনাশক তৈরীর ইন্ডাস্ট্রিয়াল রং ও নানা উপকরন।

সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রুহুল আমীন জানান, দীর্ঘদিন ধরে এ কারখানায় প্যাকেজিং ব্যবসার আড়ালে পাথর, বালির সঙ্গে ক্ষতিকর রং মিশিয়ে ভেজাল সার ও নকল কীটনাশক তৈরী করে বাজারজাত করে আসছে। এসব জিনিষ  মাটির উর্বরতা বৃদ্ধির বিপরীতে ব্যাপক ক্ষতি করছে। পাশাপাশি এসব কীটনাশক কিনে কৃষকরা প্রতারিত হচ্ছে। এ কারখানার বৈধ কোন কাগজপত্র নেই। অভিযানের খবর পেয়ে মালিক কাজল পালিয়েছে। কাজলের কারখানার ব্যবস্থাপক মফিজুর রহমানকে আটক করে জরিমানা করা হয়েছে। কারখানাটি সিলগারা করে দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত।

রুহুল আমীন আরো জানান, কাজল অতীতে ভেজাল সার ও কীটনাশসহ একাধিকবার ধরা পড়ে জেল হাজতে গেছে। কিন্তু পরে জামিনে বেরিয়ে এসে স্থান বদল করে নতুন কারখানা গড়ে আবার তার অপকর্মে লিপ্ত হয়। এর আগে সদর উপজেলার রাঘবদাইড়, ছোট ব্রিজ এলাকায় তার কারখানা ছিল।

August ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Jul    
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  

ফেসবুকে আমরা

বিভাগ

দিনপঞ্জিকা

August ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Jul    
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
%d bloggers like this: