মাগুরানিউজ.কমঃ
কি করছো তোমরা, চড়ুইভাতি? জিজ্ঞাসা করতেই সবার মুখে একই কথা- ভাই আমরা ‘চড়ুইভাতি’ নয় সত্যি সত্যি ‘পিকনিক’ করছি।
পাঠ্যবইয়ে জসীমউদ্দীনের কবিতায় নুরু-পুষি-আয়েশা-শফির মতো এই শিশুরাও সবাই মিলে নির্ঘুম দুপুরে যা করছে,-তার নামই চড়ুইভাতি, রবি ঠাকুরের ভাষায় ‘চড়িভাতি’,আবার তার নামই বনভোজন, আজকাল যার নাম পিকনিক। আমাদের সেই গ্রাম্য ‘চড়ুইভাতি‘ এখন চরিত্র বদলিয়ে হয়েছে ‘পিকনিক‘।
চাঁদা কত জিজ্ঞাসা করতেই দলনেতার উত্তর- বিল থেকে নাড়া (পাকা ধান কেটে নেওয়ার পর পড়ে থাকা গোড়া ) পাশের ক্ষেত থেকে আনা ফুলকপি, নতুন সদস্যদের বাড়ী থেকে ডিম আর সেই সঙ্গে মায়েদের হিসেবি সংসারের একটুখানি তেল-মসলা সংগ্রহ করেই উৎযাপিত হচ্ছে তাদের এ মহতী কার্যক্রম!


