মাগুরায় মাঠে মাঠে এখন ব্লাস্ট আতঙ্ক! চাষিরা দিকবিদিক ছুটছেন বাঁচার আশায়।
এদিকে এ ঘটনায় মাগুরা কৃষি বিভাগের কর্মকান্ড নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
সদর উপজেলার নালিরডাঙ্গি গ্রামের একাধিক কৃষক অভিযোগে বলেন, ব্লাস্ট ভাইরাস সম্পর্কে আমাদেরকে আগে বলা হয়নি। যখন নোটিভা স্প্রে দিতে বলা হলো তখন বুঝলাম আমাদের গমচাষ করা উচিত হয়নি। ব্লাস্ট নিয়ে আগে ভালোভাবে প্রচারণা করা হলে গম আবাদ করতাম না।
সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে গম চাষ করে হুইট ব্লাস্ট নিয়ে বিপাকে পড়েছেন চাষিরা। ক্ষেতে ছত্রাকনাশক দিয়েও ফল পাওয়া যাচ্ছে না। বীজ পরিশোধন না করা এবং আগাম বীজ বপণ এ রোগের কারণ বলে জানিয়েছেন কৃষিবিজ্ঞানীরা।
মাগুরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, গতবছর মাগুরা, ঝিনাইদহ, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর কুষ্টিয়া, ভোলা, বরিশালে বেশকিছু গমক্ষেতে ব্লাস্ট রোগের আক্রমন লক্ষ্য করা যায়। যা গমক্ষেত নষ্ট করে দিয়েছিল। এসময় কৃষি মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে পুড়িয়ে ফেলা হয় অনেক গমক্ষেত।
যেহেতু ব্লাস্ট ভাইরাস সাত বছর স্থায়ী থাকে, তাই এবছরও এ আটটি জেলার কৃষকদের গম চাষ না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু নিষেধাজ্ঞাকে অগ্রাহ্য করে মাগুরায় ৫ হাজার ৮৫০ হেক্টর জমিতে কৃষকরা গমচাষ করেছে। তাই এ ঘটনায় মাগুরা কৃষি বিভাগের দায়িত্বহীনতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।


