মাগুরানিউজ.কমঃ
হৃদয়বিদারক এক ঘটনার সাক্ষী হলো মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের কানুটিয়া গ্রাম। সিলিংফ্যানের সাথে একই রশিতে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে এক দম্পত্তি। এই দম্পত্তির নাম রবিউল ইসলাম মোল্যা (৩৫) এবং খাদিজা খাতুন (২৬)। লাশ দুইটিকে উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মাগুরা মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। মৃত রবিউল ইসলাম মোল্যা বিনোদপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য হাবিবুর রহমান মোল্যার ছেলে।
মহম্মদপুর থানার এসআই সিদ্দিক হোসেন জানান, আজ সকালে ঘরের দরজা বন্ধ দেখে তার স্বজনেরা ডাকাডাকি করে সাড়া না পেয়ে জানালা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে তাদের ঝুলন্ত লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে।
মহম্মদপুর থানার ওসি মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যা মনে হচ্ছে। এখনি নিশ্চিত কিছু বলা যাচ্ছে না।প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যা মনে হলেও গোপন কোনো রহস্য থাকতেও পারে। লাশ দুইটির ময়না তদন্তের জন্য মাগুরার মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। পোস্ট মর্টেম রিপোর্ট হাতে পেলেই পুরো বিষয়টি পরিস্কার হয়ে যাবে বলেও তিনি জানান।
হাবিবুর রহমান মোল্যা স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান, তার ছেলে রবিউল ইসলাম মোল্যার সাথে মাগুরা সদরের বেরইল-পলিতা ইউনিয়নের ছোটজোকা গ্রামের ছুরমান হোসেনের মেয়ে খাদিজা খাতুনের বছর ছয়েক আগে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে সুখে-স্বাচ্ছন্দেই কাটছিলো তাদের দাম্পত্য জীবন। তাদের ঘরে মুর্শিদা ইসলাম মুনিবা নামের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।
আলোচিত এ ঘটনাটি বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই উপজেলার মানুষের মুখে মুখে চাউর হচ্ছিলো। ওই দম্পত্তির লাশ দেখার জন্য ওই বাড়িতে হাজারো মানুষের ভীড় হয়। এটি কি সত্যিই আত্মহত্যা! সঠিক তথ্য উদ্ঘাটনে তদন্তের দাবি এলাকাবাসীর।


