মাগুরানিউজ.কমঃ
বিশেষ প্রতিবেদক-
আকাল খেজুর রসের। বিলীন হয়ে গিয়েছে আসল নলেন গুড়। সুবাস মেশানো নলেন গুড় দিয়েই তৈরি হচ্ছে পিঠে-পুলি, পায়েস ও রসগোল্লা। খোঁজ নিয়ে এমনটিই জানা গেল মাগুরায়।
সেভাবে শীতের দেখা নেই। একদিন পারদ কমছে তো পরের দিনই তা বেড়ে যাচ্ছে। ফলে খেজুর রসও যাচ্ছে শুকিয়ে। পর্যাপ্ত খেজুর রস না-হওয়ার কারণে নলেন গুড়েরও দেখা নেই। তাই বলে কি খাদ্যরসিক বাঙালির পাতে পড়বে না নলেনগুড় মাখানো পিঠপুলি বা গুড়ের রসগোল্লা?
নলেন গুড়ের অভাব তো কী হয়েছে! রমরমিয়ে চলেছে সুবাস মাখা নলেনগুড়। তা দিয়েই তৈরি হচ্ছে পিঠেপুলি, রসগোল্লা। মানুষও চেটেপুটে তা উপভোগ করছেন। আসল নলেনগুড়ের জায়গা নিয়ে ফেলেছে এই নকল নলেনগুড়। আর সেই গুড় কেনার জন্যই জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এখানে ছুটে আসছেন মিষ্টান্ন ব্যসায়ীরা। সুবাসিত নলেন গুড় দিয়েই মিষ্টি তৈরি করা হচ্ছে। আর তা খেয়েই দুধের স্বাদ ঘোলে মেটাচ্ছেন মানুষজন।
কিন্তু কেন শীতের মরসুমে নলেন গুড়ের এমন আকাল? এ বিষয়ে মাগুরার গুড় ব্যবসায়ী সুবোধ বিশ্বাস জানান, শীত তেমন ভাবে জাকিয়ে পড়ছে না। একদিন শীত পড়লে পরের দিন তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে এতে রস কমে যাচ্ছে। ঠিকমতো রসের যোগান না পাওয়ায় বাধ্য হয়েই রসের সাথে চিনি ও সুবাস মিশিয়ে গুড় তৈরি করতে হচ্ছে নকল নলেন গুড়।
তবে বাজার যেমন ছিল ঠিক তেমনই আছে। বাজারে হাজারো খদ্দের আসছেন গুড় কিনতে। আসল গুড়ও আছে তুলনামূলকভাবে কম এবং দামে বেশি।


