মাগুরায় আসন্ন পৌরসভার নির্বাচরনে আওয়ামীলীগ মনোনিত প্রার্থী খুরশিদ হায়দার টুটুলের নির্বাচনী অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছেন জেলা বিএনপির সিনিয়র নেতারা। অন্যদিকে ধানের শীষ প্রতীক পাবার পরও বিএনপি দলীয় প্রার্থী ইকবাল আখতার খান কাফুরের নির্বাচনী প্রচারনায় সাথে পাচ্ছেন না দলীয় নেতা-কর্মীদের।দলীয় সূত্রে জানা গেছে, পাড়ায় মহল্লায় নির্বাচনী কমিটি করে ঐক্যবদ্ধভাবে নৌকা মার্কার পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন দলীয় নেতা-কর্মীরা। ছাত্রলীগ থেকে শুরু করে যুবলীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, কৃষক লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগসহ আওয়ামী লীগের সকল স্তরের নেতা-কর্মীরা গণ সংযোগ, সভা সমাবেশ সহ ব্যাপক পরিশ্রম করছেন।
মাগুরা পৌরসভার বিগত সাধারণ নির্বাচনে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলতাফ হোসেন বিপুল ভোটের ব্যবধানে মেয়র নির্বাচিত হন। কিন্তু দু’ বছরের মাথায় তার মৃত্যুজনিত কারণে ২০১৩ সালের ৬ মেঅনুষ্ঠিত উপ নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী ইকবাল আকতার খান কাফুর জয়ী হন। এ নির্বাচনে বিএনপি একক প্রার্থী দিলেও আওয়ামী লীগ দুটি প্রার্থী নিয়ে বেকায়দায় পড়ে। যে কারণে আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থীর দ্বিতীয় হন বলে দলীয় নেতা-কর্মীদের অভিমত।
জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পঙ্কজ কুন্ডু বলেন, এবার জননেত্রী শেখ হাসিনা প্রয়াত মেয়র জননেতা আলতাফ হোসেনের ছেলে খুরশিদ হায়দার টুটুলকে মনোনয়ন দিয়েছেন। যে কারণে এবার দলের সকল স্তরের নেতা-কর্মীরা নৌকা মার্কার প্রার্থীকে বিজয়ী করতে কাজ করছে। আগামি ৩০ ডিসেম্বর আমরা জননেত্রীকে আমাদের হারিয়ে ফেলা পৌরসভার মেয়র পদটি উপহার দিতে ঐক্যবদ্ধ।
জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আহসান হাবিব কিশোর অভিযোগ করেন, ইকবাল আকতারকে ধানের শীষের মনোনয়ন দেয়া হলেও বিগত সময়ে দলীয় কোন কর্মকর্তার সঙ্গে তিনি সম্পৃক্ত ছিলেন না। শুধু এই অভিযোগ করেই তিনি ক্ষ্যান্ত হননি। শুক্রবার রাতেই তিনি শহরের ইসলামপুর পাড়ায় আওয়ামী লীগের নির্বাচনী অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে নৌকা মার্কার প্রার্থী খুরশিদ হায়দার টুটুলের পক্ষে বক্তব্য রাখেন। যে বিষয়টি নিয়েও বিএনপি প্রার্থী এখন দারুন নাজুক অবস্থায় পড়েছেন।

