মাগুরানিউজ.কমঃ
বাংলাদেশ ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর কর্তৃক সারাদেশে ৫১টি ওষুধ উৎপাদন, ক্রয়, বিক্রয়, বিতরণ, মজুদ ও প্রদর্শন নিষিদ্ধ ঘোষনার প্রায় দুই সপ্তাহ অতিবাহিত হতে চললেও মাগুরা শহর ও জেলার উপজেলা সমুহের অধিকাংশ ফামের্সীতে এখনো এসব ওষুধ বিক্রয় করা হচ্ছে।
স্থানীয় সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের উদাসিনতা এবং অধিকাংশ ক্রেতারা এ বিষয়টি সম্পর্কে অবহিত না থাকায় ফার্মেসী মালিকরা এসব নিষিদ্ধ ঘোষিত ওষুধ বিক্রয় করছে।
গত দুদিন শহরের বিভিন্ন এলাকার ফার্মেসী ঘুরে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। সদর হাসপাতাল কেন্দ্রিক গড়ে ওঠা প্রায় ৩০টি ফার্মেসীর প্রতিটিতেই নিষিদ্ধ ঘোষিত ৫১টি মেডিসিনের দেখা মিলেছে। এছাড়া শহরের প্রধান দুটি মেডিসিনের পাইকারী দোকান আমজেদিয়া ও সিরাজ ফামের্সীতেও প্রচুর পরিমানে নিষিদ্ধ ঘোষিত এসব ওষুধের মজুত রয়েছে।
যদিও আমজেদিয়া ফার্মেসী দাবী করেছে তারা এসব ওষুধ বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট কোম্পানী আসলে অবিক্রিত মেডিসিন ফেরত দেওয়ার কথাও জানান তারা। অপরদিকে জেলার অন্য তিনটি উপজেলায় অধিকাংশ ফার্মেসীতে এসব নিষিদ্ধ ঘোষিত ওষুধ বিক্রি করা হচ্ছে।
গত এক সপ্তাহ পূর্বে ওষুধ নিয়ন্ত্রন কমিটির ২৪৪তম সভায় এসব ওষুধের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করা হয়।
এ বিষয়ে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা অফিসার মো: জিল্লুর রহমান জানান, এগুলি দেখার দায়িত্ব ড্রাগ সুপারের।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে মাগুরা ও ঝিনাইদহ দুটি জেলার দায়িত্তে রয়েছেন একজন ড্রাগ সুপার। যার কার্যালয় ঝিনাইদহে অবস্থিত। মাগুরায় এ বিভাগের কোন অফিস নেই। মাঝে মধ্যে মাগুরায় এসে অভিযান পরিচালনা করেন।
অভিযোগ রয়েছে জেলা সদরের ছোট ছোট ফার্মেসিতে তিনি মোবাই কোর্ট পরিচালনা করলেও কোন এক অদৃশ্য কারনে বড় বড় ফার্মের্সীগুলিতে কখনও অভিযান পরিচালনা করেন না। ফলে ছোট ফামের্সীগুলিতে যেখান থেকে মেডিসিন সরবরাহ করা হয় সেগুলি থেকে যায় অধরায়।


