মাগুরানিউজ.কমঃ
মাগুরা শহরে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে একটি ঘটনা। শহরের ঢাকা রোড সংলগ্ন ব্রীজের নিচে নবগঙ্গা নদী থেকে উদ্ধার করা ১০মাস বয়সী শিশুটির নাম রাফিয়া। আটমাস বয়সি কন্যা সন্তানকে নদীর পানিতে ফেলে দেবার অভিযোগে ঐ শিশুটির মা পরিচয় দেয়া ঐ গৃহবধূকে আটক করেছে পুলিশ। সে সদর উপজেলার মালিকগ্রামের শরিফুজ্জামানের স্ত্রী।
সদর থানার এসআই বসির জানান, শিশুটি বর্তমানে সুস্থ্য আছে। আটককৃত মহিলা নিজেকে শিশুটির মা বলে দাবি করলেও ঘটনার কারণ উদঘাটনের চেষ্টা চলছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবী ইচ্ছাকৃতভাবেই ওই গৃহবধূ কণ্যা শিশুটিকে নদীতে ফেলে দিয়ে দুরে স্বাভাবিকভাবে দাঁড়িয়ে ছিল। তবে তার মায়ের দাবী প্রস্রাব করাতে গিয়ে শিশুটি হাত ফসকে পড়ে গিয়েছিল।
অভিযুক্ত গৃহবধু দাবী করেন ব্রীজের পাশ দিয়ে আসার সময় রেলিং এ দাঁড় করিয়ে শিশুটিকে প্রস্রাব করানোর সময় হাত ফসকে নবগঙ্গা নদীর পানিতে পড়ে গেছে সে। তার তিন কন্যা সন্তানের মধ্যে রাবেয়া সবচেয়ে ছোট।
সদর থানার এসঅই বশিরুল ইসলাম জানান- হেনা পারভীন ঢাকা সেনানিবাসে কর্মরত সিভিল স্টাফ শরিফুজ্জামান শরিফের স্ত্রী। শরিফুজ্জামানের বাড়ি মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার চালিমিয়া গ্রামে। ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয়রা নদীতে ঝাপ দিয়ে শিশুটিকে পানি থেকে তুলেছে। বর্তমানে তাকে মাগুরা সদর হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে। কি কারণে এ ঘটনা ঘটেছে তা নিয়ে তদন্ত চলছে।
এ ঘটনা শহরে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।


