মাগুরানিউজ.কমঃ
আমরা মাগুরাবাসি, এতেই গর্ব অনুভব করি। গর্ব করার জন্য মাগুরা নামটাই যথেষ্ট, প্রয়োজন নেই কোনও গৌরচন্দ্রিকারও। তাই কোনও সূচনা নয়, একেবারে ‘টু দ্য পয়েন্ট’, ‘মাগুরানিউজ’ জানাচ্ছে ( এই বিষয় নিয়ে প্রকাশিত ও স্বীকৃত তথ্য উপাত্তের ভিত্তিতে মাগুরা নিউজের তথ্য গবেষনা সেলের তৈরী এই প্রতিবেদন) এমন কিছু তথ্য আপনি প্রবাসেই থাকুন, মাগুরাতে থাকুন বা দেশের যেখানেই থাকুন আরো বেশি জানুন জানা-অজানা আপনার প্রিয় মাগুরাকে। শেয়ার করে সবাইকে জানতে সহযোগিতা করুন।
৩৫তম পর্ব-
‘রাজা সত্রাজিৎ রায়ের রাজধানী শত্রুজিৎপুর’
মাগুরা জেলার সদর উপজেলার অন্তর্গত সত্রাজিৎপুর বা শত্রুজিৎপুর ইউনিয়ন মাগুরা জেলার একটি ঐতিহ্যবাহী জনপদ। অত্র ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে দেখার মতো অনেক কিছু রয়েছে যা স্বচক্ষে না দেখলে অনুমান করা কঠিন। ১২ ভূঁইয়ার অন্যতম ভূষণা অধিপতি মুকুন্দ রায়ের পুত্র রাজা সত্রাজিৎ রায় ১৬৩৬ খ্রীষ্টাব্দে শত্রুজিৎপুর এসে এখানে রাজধানী স্থাপন করে রাজ্য পরিচালনা করতে থাকেন। মোগল শাসক কর্তৃক রাজা সত্রাজিৎ রায় প্রাণদন্ডে দন্ডিত হন। রাজা সত্রাজিৎ রায় এর প্রাণদন্ডের পর তাঁর বংশের রাজ গৌরব ও স্বাধীনতা বিলুপ্ত হয়।
রাজা সত্রাজিৎ রায় এর উত্তরাধীকারী কৃষ্ণ প্রসাদ বরাটের গোষ্ঠীপতি রাম হরি গুহ রায়ের কন্যা স্বরসতী দেবীকে বিবাহ করেন এবং উক্ত রামহরির পুত্র রঘুদেব গুহকে তরফ কুজবাড়িয়ার অধীন জয়পুর গ্রাম মহাত্রাণ দান করিয়া তাঁহার বাসস্থান নির্মাণ করিয়া দেন।
রঘুদেব প্রায়ই সত্রাজিৎপুরের বাড়ীতে বাস করিতেন। এবং তাঁহারই যত্নে কৃষ্ণ প্রসাদ সত্রাজিৎপুরের মদন মোহন বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা করিয়া তাঁহার জন্য একটি কারুকার্য- খচিত সুন্দর মন্দির নির্মাণ করেন ১৬৯৮ খ্রীষ্টাব্দে।


