মাগুরানিউজ.কমঃ
পিইসি পরীক্ষার কারণে শিশুদের শারীরিক-মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। স্কুলে স্কুলে কোচিং বাণিজ্য দৌরাত্ম্য বেড়ে যাচ্ছে। অতিরিক্ত পড়ার চাপ এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের অতিরিক্ত অর্থ খরচ এসব কারণে অভিভাবকরা পিইসি পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে আন্দোলন শুরু করে। ১৮ মে প্রাথমিক শিক্ষা অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত উন্নীত করায় তাদের এ দাবি আরো জোরালো হয়।
প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষা বন্ধে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন মাগুরার শিক্ষক ও অভিজ্ঞজনেরা।
একপক্ষ বলেন, ‘যখন মূল্যায়নের জন্য পিইসি পরীক্ষা নেয়া শুরু হলো, প্রথমবারেই ৮ হাজার প্রতিষ্ঠানের কেউ পাস করতে পারেনি। এখন আর সে বিপর্যস্ত পরিস্থিতি নেই। পিইসি পরীক্ষার কল্যাণে এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ ঘটেছে।’ তারা জোর দিয়ে বলেন, ‘ক্লাস বেইজড অ্যাসেসমেন্ট সিস্টেম চালু করা আগে পিইসি বন্ধ কোনোভাবেই ঠিক হবে না।’
এ বক্তবের বিরোধিতা করে অপর পক্ষ বলেন, ‘এ বছর থেকেই পিইসি তুলে দেয়া উচিৎ। শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করার জন্য ভিন্ন কোনো উপায় হতে পারে। এর জন্য ভাষাজ্ঞান এবং গণিতের ওপর তাদের পরীক্ষা নেয়া যেতে পারে। অতিরিক্ত বইয়ের বোঝা থেকে শিশুদের মুক্তি দিতে হবে। ক্লাস, কোচিং, প্রাইভেটে দৌড়াদৌড়ি করতে করতে অভিভাক-শিক্ষার্থী সবাই ক্লান্ত। এ অবস্থা থেকে তাদের রেহাই দিতে হবে।’
উল্লেখ্য, পিইসি পরীক্ষা বন্ধে বছরের শুরু থেকে মানববন্ধন করে আসছে আভিভাবকরা। ধীরে ধীরে পিইসি বন্ধ তাদের দাবিতে রূপান্তরিত হয়। এ দাবি বাস্তবায়নে বিভিন্ন সময় মানববন্ধের পাশপাশি বিক্ষোভ মিছিলও করেছে অভিভাবকরা।


