মাগুরানিউজ.কমঃ
খাদ্য গুদামে সরকারি ভাবে ইরি-বোরো ধান সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে ক্রয় শুরু হলেও বেশিরভাগ কৃষকই সরকারের কাছে বিক্রি করতে পারছেন না তাদের উৎপাদিত বোরো ধান।
বাজারে ক্রেতা না থাকায় তারা ন্যয্য মুল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। প্রান্তিক চাষীরা পানির দামে বোরো ধান বিক্রি করে মেটাচ্ছে মজুরের খরচ। ধান বিক্রি করতে না পেরে ধানের রক্ষণাবেক্ষন নিয়েও বিপাকে পড়েছে ধানচাষীরা। কেমন দাম প্রশ্ন করতেই সবার মুখেই প্রায় একই প্রতিক্রিয়া ক্রেতাই নেই আবার ভালো দাম! কেউ কেউ আবার প্রশ্নও করছেন পাগল নাকি?
ধান চাষী আবদুর রহমান বলেন, বাজারে বোরো ধানের দাম না থাকায় প্রতি একর জমিতে কৃষকদের লোকসান গুনতে হচ্ছে ৭থেকে ৯হাজার টাকা পর্যন্ত। এতে প্রান্তিক চাষীরা ঋনের দায়ে জর্জরিত হয়ে যাচ্ছে। একই কথা বলেন, জেলার অনেক ধানচাষী।
তারা বলেন, পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্র ভারত থেকে আমদানি করা নিম্নমানের চাউল নিন্মদরে বাজারে সয়লাব হওয়ায় দেশীয় চাউলের বাজারে ধ্বস নেমেছে।
তিনি আরোও বলেন, অনেক মিল মালিকেরাই এখন পর্যন্ত তাদের ব্যাংক ঋনের বিপরীতে মজুদ করা চাউল বাজারে বিক্রি করতে পারে নাই। একারণে ব্যবসায়ীরা বোরো ধান কিনতে পারছে না বলেই বোরো ধানের বাজারে ধ্বস নেমেছে।


