মাগুরানিউজ.কমঃ
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের নির্বাচনে সভাপতি পদে টানা তৃতীয়বারের মতো বিজয়ী হয়েছেন ফুটবল কিংবদন্তী কাজী সালাহউদ্দিন। তিনি পেয়েছেন ৮৩ ভোট। অন্যদিকে তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী কামরুল আশরাফ খান পোটন এমপি পেয়েছেন ৫০ ভোট। বাতিল হয়েছে একটি ভোট।
বিজয়ী হওয়ার পরপরই কাজী সালাহউদ্দিনকে ‘মাগুরানিউজ’ ও মাগুরার ক্রিড়াপ্রেমীরা অভিনন্দন জানিয়েছে।
রাজধানীর রেডিসন ব্লু হোটেলে শনিবার দুপুর ২টা থেকে শুরু হয় ভোট গ্রহণ। শেষ হয় বিকেল ৫টায়। গত দুই নির্বাচনের মধ্যে এবারই ব্যতিক্রম। তা হলো, এবারই ভোট গ্রহনের হার শতভাগ। অর্থাৎ ১৩৪ জন ভোটারই দিয়েছেন ভোট। ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে বলে জানান, নির্বাচন কমিশনার মেসবাহ উদ্দীন আহমেদ। নির্বাচন পর্যবেক্ষণে রয়েছেন ফিফা ও এএফসি প্রতিনিধি সি মুন ইয়ং।
ভোটগ্রহণ শেষে শুরু হয় গণনা। নিয়মানুযায়ী প্রথমে সভাপতি পদের ভোট গণনা করা হয়। গণনা শেষে নির্বাচন কমিশনার মেসবাহ উদ্দীন জানান, সর্বাধিক ৮৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন কাজী সালাহউদ্দীন। অন্যদিকে ৫০টি ভোট পেয়েছেন সংসদ সদস্য কামরুল আশরাফ খান পোটন।
এর আগে সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত বাফুফের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) একজন সভাপতি, চারজন সহ-সভাপতি ও ১৫টি সদস্যপদের জন্য এবার প্রার্থী ৪৬ জন। নির্বাচনে মোট ভোটার ১৩৪ জন।
একটি সিনিয়র সহ-সভাপতির পদে ভোটাভুটি হচ্ছে না। মনোনয়ন পত্র কেনা শেখ জামাল ধানমণ্ডি ক্লাবের সভাপতি মনজুর কাদের, মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের ডিরেক্টর ইন-চার্জ লোকমান হোসেন ভূইয়া ও আওয়ামী লিগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক দেওয়ান শফিউল আরেফীন টুটুল প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে নেওয়ায় সালাম মুর্শেদী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে স্বপদেই বহাল থাকছেন।
৪ সহ-সভাপতির পদে এবার প্রার্থী ১০ জন। ১২ জন মনোনয়ন পত্র নিলেও টুটুল ও ‘বাঁচাও ফুটবল’ আন্দোলনের সামনের সারি নেতা লোকমান প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে নেন। ১৫ সদস্য পদের জন্য ভোটাভুটির লড়াইয়ে মোট প্রার্থী এবার ৩২ জন।


