মাগুরানিউজ.কমঃ
গতকাল ২৩ এপ্রিল অনুষ্ঠিত শ্রীপুরের ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে ৭টি ইউপির ফলাফল ঘোষিত হয়েছে। একটি কেন্দ্রের (বারইপাড়া) ভোটগ্রহণ স্থগিত হওয়ায় শ্রীকোল ইউনিয়নের ফলাফল ঘোষিত হয়নি।
৭ইউপিতেই জয়লাভ করেছে আ’লীগের প্রার্থীরা।
ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ীঃ
১ নং গয়েশপুর ইউনিয়নে আব্দুল হালিম মোল্লা নৌকা প্রতীক নিয়ে ৫৯১২ ভোট পেয়ে দ্বিতীয়বারের মতো নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী ইউসুফ আলী মন্ডল আনারস প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৫০৩৩ ভোট।
৩ নং শ্রীকোল ইউনিয়নে ফলাফল স্থগিত করা হয়েছে।
২ নং আমলসার ইউনিয়নে নৌকা প্রতীক নিয়ে ৮৬১৫ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন সেবানন্দ বিশ্বাস। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মোখলেসুর রহমান সাবের ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩৪৩৫ ভোট।
৪ নং শ্রীপুর সদর ইউনিয়নে মো. মশিউর রহমান নৌকা প্রতীক নিয়ে সর্বোচ্চ ১০ হাজার ৭৭ ভোট পেয়ে আবারও জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আখেরুজ্জামান বিশ্বাস আনারস প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৩২৬ ভোট।
৫ নং দ্বারিয়াপুর ইউনিয়নে নৌকা প্রতীক নিয়ে ৮৩৯৩ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের জাকির হোসেন কানন। প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আনিসুর রহমান পেয়েছেন ১৪৬৪ ভোট।
৬ নং কাদিরপাড়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের লিয়াকত আলী নৌকা প্রতীক নিয়ে ৫০২৫ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২১৭৫ ভোট। ধানের শীষের প্রার্থী পেয়েছেন মাত্র ৯৪৬ ভোট।
৭ নং সব্দালপুর ইউনিয়নে নুরুল হোসেন মোল্লা নৌকা প্রতীক নিয়ে ৫০২৫ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সিরাজুল ইসলাম আনারস প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩৪০৫ ভোট। এই আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বিএনপির ফারুক আহমেদ পেয়েছেন ১৪২০ ভোট।
৮ নং নাকোল ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের হুমাউনুর রশিদ মুহিত নৌকা প্রতীক নিয়ে ৮৪০৯ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক চেয়ারম্যান শাজাহান মিয়া আনারস প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২১৪০ ভোট।
আলোচিত শ্রীকোল ইউনিয়নে ৭১৯৯ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন আওয়ামী লীগের মুতাসিম বিল্লাহ সংগ্রাম। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান চেয়ারম্যান স্বতন্ত্র প্রার্থী কুতুবউল্লাহ কুটি আনারস প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৬৩৮৬ ভোট। বারইপাড়া ভোটকেন্দ্রের ভোট স্থগিত হওয়ায় এই ইউনিয়নের ফলাফল ঘোষিত হয়নি।
কুতুবউল্লাহ কুটি জানিয়েছেন ভোট কেন্দ্র দখল, বরিশাটের দুটি কেন্দ্রসহ কয়েকটি কেন্দ্রে প্রকাশ্যে ভোট কেটে নেওয়ার ঘটনা, অনিয়ম, ভোটারদের বাধা প্রদান-এসব নিয়ে তিনি রিটানিং অফিসার বরাবর অভিযোগ করেছেন।


