মাগুরানিউজ.কমঃ
আমরা মাগুরাবাসি, এতেই গর্ব অনুভব করি। গর্ব করার জন্য মাগুরা নামটাই যথেষ্ট, প্রয়োজন নেই কোনও গৌরচন্দ্রিকারও। তাই কোনও সূচনা নয়, একেবারে ‘টু দ্য পয়েন্ট’, মাগুরা নিউজ জানাচ্ছে এমন কিছু তথ্য যা জেনে আপনি প্রবাসেই থাকুন, মাগুরাতে থাকুন বা দেশের যেখানেই থাকুন, আপনি বলবেন…….. ।
সাথে থাকুন আর জানুন জানা-অজানা আপনার মাগুরাকে। শেয়ার করে মাগুরার সবাইকে জানতে সহযোগিতা করুন।
১৫ তম পর্ব-
প্রথম মহাযুদ্ধ ও মাগুরা-ঝিনাইদহ সড়ক নির্মাণ-
মোঘল আমলেই পেরিপ্লাস ও টলেমির বর্ণনায় ইছাখাদা অঞ্চলের জনবসতি ও ব্যবসা কেন্দ্রের বিবরণ পাওয়া যায়। চতুর্দশ শতাব্দিতে গরীবশাহ দেওয়ানের মাগুরা অঞ্চলে উপস্থিতির বর্ণনা পাওয়া যায়।
প্রথম মহাকুমা প্রশাসক ককবার্ণ ১৮৪৫ সালের পরপরই মাগুরা ঝিনাইদহ সড়ক নির্মাণে হাত দেন এবং নবগঙ্গা নদীর পানি থেকে শহর রক্ষার জন্য নবগঙ্গার দক্ষিণ পার্শ্বে বেড়িবাঁধ নির্মাণ করেন। নবগঙ্গা নদীর পানির চাপে হাওড়খালি খালের সৃষ্টি হয় এবং ঐ খালের উপর আবালপুরের কাছে মাগুরা ঝিনাইদহ সড়কে একটা শক্তিশালী সেতু নির্মাণ করে জাপানি ইঞ্জিনিয়াররা ১৯৫২ সালের দিকে। বিশ্ব রোড করার সময় সেটা ভেঙ্গে সড়ক সোজা করা হয় ও তার দক্ষিণে একটা ছোট বক্স সেতু নির্মাণ করা হয়।
প্রথম মহাযুদ্ধ চলাকালে যশোর-মাগুরা সড়কে কাটাখালিতে নির্মিত হয় একটা সড়ক সেতু। যেটার ফলকে লেখা ছিল নির্মাণকাল ও নির্মাতাদের নাম।
R.C. HAMILTION: ESOR!VIC: CM: BK MITTER
DIST: ENG: K.N. GHOSH
ASST ENG: K.C. GHOSHI CONTER: D: CHATTERRJEE
ESECTED : 1916
বর্তমান সেতু নির্মাণকালে ১৯৯৫ সালের দিকে সেতুটা ভেঙ্গে ফেলা হয়। সেতুটার উপর প্রায় ১০ ফুট চওড়া ইটের ভিত্তির উপর লোহার এঙ্গেল দিয়ে রেলিং দেয়া ছিল।
চলবে-


