মাগুরানিউজ.কমঃ
ডা. মো. তোফাজ্জল হক চয়ন। সদ্য ঘোষিত ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে সহ-সভাপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ পদ পেয়েছেন মাগুরা জেলার এই কৃতি সন্তান। দীর্ঘ সময় পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে ছাত্রলীগের শীর্ষ পর্যায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদে এসেছেন এ ছাত্রনেতা।
তোফাজ্জল হক চয়ন এর আগে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্রলীগের প্রচার সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদে থেকে ঢাকা মেডিকেলে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ছাত্রলীগের আগের কমিটিতে ছিলেন স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা বিষয়ক উপ-সম্পাদক।
একান্ত আলাপচারিতায় কীভাবে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে হাতেখড়ি- এমন প্রশ্নের জবাবে এই ছাত্রনেতা জানান, বাবা ছিলেন মাগুরা জেলা বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি। ছাত্রাবস্থায় বৃহত্তর যশোর জেলা ছাত্রলীগের দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। বাবার কাছে বঙ্গবন্ধুর গল্প শুনে ও তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড দেখে এবং চাচার পরামর্শে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে পদার্পন করি।
পড়াশোনার চাপ থাকা সত্ত্বেও রাজনীতির আঙিনা আমাকে মুগ্ধ করতো। পড়াশোনা এবং রাজনীতি দুই স্থান থেকেই দেশের জন্য কিছু করার আগ্রহই হয়তো আমাকে আমার স্বপ্নের পথে নিয়ে এসেছে।
ভবিষ্যৎ ছাত্রলীগ কেমন দেখতে চান- এমন প্রশ্নের জবাবে চয়ন বলেন, শেখ হাসিনার স্বপ্নকে এগিয়ে
নেয়ার পথ প্রদর্শক হবে ছাত্রলীগ। ছাত্রলীগ ভিশন ২০২১, সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার, শিক্ষার অধিকার ও সকল মুক্তির আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসা করে তোফাজ্জল চয়ন বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ তড়িৎ গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। যদি এভাবে আর দশ বছর শান্তিপূর্ণভাবে জননেত্রী দেশকে পরিচালনা করতে পারেন তাহলে বাংলাদেশ মালয়েশিয়া বা সিঙ্গাপুরকেও ছাড়িয়ে যাবে। শেখ হাসিনা শুধু বাংলাদেশের নেতাই নন, তিনি বিশ্ব রাজনীতিতেও একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্ব। আর এর প্রমাণ স্বরূপ ইতিমধ্যেই তিনি সাউথ সাউথ পুরস্কার, চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ পুরস্কারসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পদকে ভূষিত হয়েছেন।
চয়ন বলেন আশা করি, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও শেখ হাসিনার ভিশন বাস্তবায়নে অতন্দ্রপ্রহরী হয়ে ছাত্রলীগের পাশে থাকতে পারবো। সাইফুর রহমান সোহাগ ও জাকির হোসাইনের হাতে হাত রেখে তাদের নেতৃত্বে একইভাবে কাজ করে যাবো।


