মাগুরানিউজ.কমঃ
আমরা মাগুরাবাসি, এতেই গর্ব অনুভব করি। গর্ব করার জন্য মাগুরা নামটাই যথেষ্ট, প্রয়োজন নেই কোনও গৌরচন্দ্রিকারও। তাই কোনও সূচনা নয়, একেবারে ‘টু দ্য পয়েন্ট’, মাগুরা নিউজ জানাচ্ছে এমন কিছু তথ্য যা জেনে আপনি প্রবাসেই থাকুন, মাগুরাতে থাকুন বা দেশের যেখানেই থাকুন, আপনি বলবেন…….. । সাথে থাকুন আর জানুন জানা-অজানা আপনার মাগুরাকে। শেয়ার করে সবাইকে জানতে সহযোগিতা করুন।
বারো তম পর্ব-
মহম্মদপুরের এলাংখালি বন্দর
গুপ্ত শাসনামলে নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুখ্যাতি সমগ্র বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছিল। শীল ভদ্র এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ছিলেন। তার শিষ্য ছিলেন চীনা পর্যাটক ইউয়ান চোয়াং। তিনি পাঁচ বছর যাবত বৌদ্ধ শাস্ত্র শিক্ষা লাভ করে ‘মহাবান দব’ উপাধি পেয়েছিলেন। তিনি ৬২৯ থেকে ৬৪৫ সাল পর্যন্ত সমতটের অধিকাংশ এলাকা ভ্রমণ করেছিলেন। বৃহত্তর যশোর জেলার ৩০টি বৌদ্ধ সংঘরাম ছিল। যশোরের মুরলীতে একটি বৌদ্ধ বিহার ছিল। মাগুরা জেলার মহম্মদপুরে বৌদ্ধদের বসতি ছিল। এটি বৌদ্ধ নগরীও গড়ে উঠেছিল। নদীর করাল গ্রাসে এই নগরী হারিয়ে যায়। গুপ্তশাসন আমলের শেষভাগে ইউয়ান চোয়াং মহম্মদপুর এসেছিলেন। তখন মহম্মদপুর নাম কি ছিল তা- জানা যায় না। তবে গুপ্ত শাসন আমলে এলেংখালি নামে একটি বন্দর ছিল। মহম্মদপুরের পাশে এলাংখালি নামে মধুমতি নদীর খেয়াঘাট আছে। ইতিহাস পর্যালোচনা করলে বোঝা যায় যে, ইয়াং চোয়াং এলেংখালি বন্দর হয়ে মহম্মদপুরের বদ্ধ নগরীতে এসেছিলেন।
-চলবে


