মাগুরানিউজ.কমঃ
বিশেষ প্রতিবেদন-
দারুণভাবে লড়েও শেষ পর্যন্ত আবারও এশিয়া কাপে স্বপ্নভঙ্গের বেদনা। এ যেন সেই ২০১২ সালের এশিয়া কাপের পুনঃরাবৃত্তি! সেবার যেমন ফাইনালে বেদনার নীলে নীল হতে হয়েছিল, এবারও সেই একই দৃশ্যপট। পার্থক্য শুধু এই, সেবার প্রতিপক্ষ ছিল পাকিস্তান, এবার ভারত।
নির্ঘুম রাত পেরিয়ে গেল সোমবার সকাল হতে না হতেই ফের আরেকটি যুদ্ধের জন্য ছুটতে হয়েছে টিম বাংলাদেশকে। টি-২০ বিশ্বকাপের বাছাইপর্ব খেলতে ভারত গেছে বাংলাদেশ।
এশিয়া কাপ টি-২০তে অন্যরকম এক বাংলাদেশকে দেখা গেছে। টি-২০তে যে দুর্বলতা ছিল, তা যেন অনেকটাই কাটিয়ে ওঠেছে বাংলাদেশ। এশিয়া কাপের আগে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেও ৪টি টি-২০ ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ। সব মিলিয়ে এ বছর এখনো পর্যন্ত ৯টি টি-২০ ম্যাচ খেলে মাশরাফিদের জয় ৫টিতে। টি-২০ বিশ্বকাপের আগে খেলা এই ম্যাচগুলো বাংলাদেশের জন্য সহায়ক হবেই বলে ধারণা।
এবার টি-২০ বিশ্বকাপের মূলপর্ব তথা ‘সুপার টেনে’ খেলতে হলে টাইগারদেরকে বাছাইপর্ব পেরোতে হবে। আজ বুধবার নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষ ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে বাংলাদেশের মূলপর্বে উঠার লড়াই। এরপর ১১ ও ১৩ মার্চ আয়াল্যান্ড ও ওমানের মুখোমুখি হবেন মাশরাফিরা। অঘটন না ঘটলে বাছাইয়ের এই বৈতরণী সহজেই পেরোবে বাংলাদেশ, এমনটা ধরে নেয়াই যায়।
টি-২০তে এখনো পর্যন্ত বাংলাদেশ খেলেছে ৫৫টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। তন্মধ্যে জয় ১৮টিতে, হার ৩৬টিতে। এই পরিসংখ্যান খুব বেশি আশাবাদী হওয়ার সাহস জোগায় না। তবে মাশরাফির নেতৃত্বে সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের অপ্রতিরোধ্য যাত্রা আবার আশাবাদী হতে আশা জোগায়!
টি-২০ বিশ্বকাপে বাংলাদেশ বাছাইপর্ব পেরোতে পারবে কিনা, কিংবা মূলপর্বে গিয়ে ভালো খেলতে পারবে কিনা, তার জবাব আপাতত সময়ের হাতেই তোলা থাকছে। আমরা শুধু মাশরাফিদের পাশে থাকতে পারি। আর পারি শুভ কামনা জানাতে।
সুতরাং, শুভ কামনা, টাইগার্স!


