মাগুরানিউজ.কমঃ
জিহাদুল ইসলাম-
‘মাগুরা বিভাগ’ গঠনের প্রস্তাবনাকে উন্নয়নমুখী সম্ভাবনা বলছেন দেশের বিশিষ্ট জনেরা। দক্ষিন বাংলার প্রবেশদ্বার খ্যাত ভৌগলিক ভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন অবস্থানে থাকা মাগুরাকে কেন্দ্র করে বৃহত্তর এই অঞ্চলের সময়োপযোগী উন্নয়ন সম্ভব বলে মনে করছেন উন্নয়ন বিশেষজ্ঞরা। এ বিষয়টি নিয়ে ভাবার জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানিয়েছেন তারা।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি গনমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ‘সেভ মাগুরা’র প্রতিষ্ঠাতা ও ‘মাগুরা নিউজ’ সম্পাদক রাজীব মিত্র ‘জয় ‘মাগুরা বিভাগ’ গঠনের প্রস্তাবনা জানিয়েছেন।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে মাগুরা বিভাগ প্রস্তাবনা জানানোর পাশাপাশি প্রস্তাব সংসদে উপস্থাপনের জন্য মাগুরার দুই সংসদ সদস্য মাননীয় যুব ও ক্রিড়া প্রতিমন্ত্রী ডঃ শ্রী বিরেন শিকদার ও মেজর জেঃ অবঃ এটিএম আব্দুল ওয়াহ্হাবের কাছেও বিনীত অনুরোধও জানিয়েছেন তিনি।
এক প্রশ্নের জবাবে জয় বলেন, উন্নত আর অনুন্নত এলাকা বিবেচনায় নয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এখন ভিন্ন ভাবে চিন্তা করার সময় চলছে দেশে। সামগ্রীক উন্নয়নই যেখানে প্রধান বিষয়।
তিনি বলেন, বৃহত্তর এই অঞ্চলের সময়োপযোগী উন্নয়নের স্বার্থে ভৌগলিক ভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন অবস্থানে রয়েছে মাগুরা। যাকে কেন্দ্র করে বৃহৎ এই অঞ্চলের অর্থনৈতিকসহ সামগ্রীক উন্নয়ন দ্রুততর ও পরিকল্পিত হবে। তিনি বলেন, যশোর-নড়াইল-ঝিনাইদহ-মাগুরা-রাজবাড়ি-ফরিদপুর নিয়ে মাগুরা বিভাগ যার বাস্তবায়ন বৃহত্তর এই অঞ্চলকে করবে সমৃদ্ধ।
যশোর বিভাগ দাবি নিয়ে তিনি বলেন, বৃহত্তর যশোরকে সাথে নিয়েই ‘মাগুরা বিভাগ’ প্রস্তাব। মাগুরা-যশোর এক ও অবিচ্ছেদ্দ আর সেকারনে বিকল্প হিসাবে এই প্রস্তাব।
মাগুরাকে যশোর থেকে বিচ্ছিন্নের বিভিন্ন চেষ্টাকে অপচেষ্টা ও বৃহত্তর যশোর জেলার সংস্কৃতি ধ্বংসের চক্রান্ত বলে উল্লেখ করেন তিনি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করে তিনি সবাইকে ‘মাগুরা বিভাগ’ দাবির সাথে একাত্নতা জানানোর পাশাপাশি মাগুরার পাশে থাকার আহবান জানিয়েছেন।
খুলনার পাশ্ববর্তী জেলা হওয়ায় যশোরকে বিভাগ ঘোষনা ও বিভাগ গঠনের যেসব ভিন্নভিন্ন দাবি রয়েছে সেগুলো বিবেচনায় ‘মাগুরা বিভাগ’ একটি উন্নয়নমুখী সমাধান বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।


