মাগুরানিউজ.কমঃ
ঈদের ছুটিতে নাড়ির টানে ঘরে ফেরা মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পাড়ি দিচ্ছেন দীর্ঘ পথ।
আজ বিকাল ৫টায় মাগুরা ঢাকারোড এলাকায় হানিফ পরিবহনের গাড়ি থেকে নামা যাত্রী সুমন, ফকরুল আরিফ ও চন্দন জানান গতকাল রাত ৯টায় গাবতলি ছেড়েছে তাদের গাড়ি আর পৌছুলেন আজ বিকাল ৫টায়। তারা জানান, ফেরি পারের জন্য অপেক্ষা করছে হাজার হাজার ব্যক্তিগত গাড়ি ও শতাধিক বাস। প্রচণ্ড গরমে অপেক্ষা করতে করতে ক্লান্ত অনেকে রাস্তার পাশেই পরিবার নিয়ে বসে আছেন। কেউ কেউ সড়কের পাশে থাকা বাড়িগুলোতে ঢুকে পড়ছেন প্রাকৃতিক কাজে। বেশি ভোগান্তির শিকার হচ্ছে পরিবারের বয়স্ক ব্যক্তি, নারী ও শিশুরা। আশপাশে কোনো খাবারের হোটেল না থাকায় দুপুরের খাবারও খেতে পারছেন না বেশির ভাগ যাত্রী।
দৌলতদিয়ার চারটি ঘাট একই সঙ্গে চালু না থাকায় এই সংকট সৃষ্টি হয়েছে। পদ্মা নদীতে তীব্র স্রোত ও ভাঙনের কারণে দৌলতদিয়ায় চারটি ঘাটের মধ্যে শুধু ১ ও ৪ নম্বর ঘাট দিয়ে গাড়ি পার হচ্ছে। ৩ নম্বর ঘাটটি আংশিকভাবে চলছিল। কিন্তু আজ সকাল ১০টার দিকে সেটিও বন্ধ হয়ে গেছে। ২ নম্বর ঘাটটিতে তীব্র স্রোতের কারণে ফেরি ভিড়তে পারছে না। এ ছাড়া ঘাটগুলোতে স্রোতের কারণে ফেরি ভিড়তেও স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি সময় লাগছে।


