মাগুরানিউজ.কম:
মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার কাজলী উত্তরপাড়া গ্রামে সন্ধান মিললো বিপুল পরিমান ‘কড়ি’র। গ্রামের তোহিদ জোয়াদ্দারের স্ত্রী জেসমিন বেগম বাড়ির সামনে ক্যানেল হতে মাটি কাটার সময় পুরাতন একটি কলসের মধ্যে কড়ি দেখতে পান। খবর পেয়ে শ্রীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো: রেজাউল ইসলাম কড়ি উদ্ধারপূর্বক জব্দ করেন। সে সময় শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে।
ঐতিহাসিক তথ্য মতে গুপ্ত শাসনামলের শেষভাগে টাকার পরিবর্তে কড়ির প্রচলন হয়েছিল। কড়ি দিয়ে বেচাকেনা হত। ব্যবসায়ীরা এই কড়ি মাটির পাত্রে রাখত। চোর ডাকাতের ভয়ে অনেক সময় মাটিতে পুতে রাখতো এবং বিভিন্ন কারণে হয়ত এই কড়ি আর মাটি থেকে তোলা হয়নি ফলে তা মাটির নিচে থেকে যায়।
ইতিপূর্বে মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পুকুর বা কুপ খননকালে মাটির নিচে মাটির পাত্রে রক্ষিত কড়ি পাওয়া গেছে। এই কড়িগুলো অনেক অনেক বছরের পুরানো বলে ধারণা করা হয়।
আব্দুল করিম বলেছেন, “ব্যবসা বাণিজ্যের জন্য রৌপ্য মুদ্রা ব্যবহার হইত, এই মুদ্রাগুলিকে তংকা (বা টাকা) বলা হইত এবং ওজন ছিল তিন ক্যান্ডারীন (চীনা আউন্সের আট শতাংশ)। তংকার পরিধি ছিল দেড় ইঞ্চি এবং ইহার দুই পিঠেই লেখা থাকত। নির্দিষ্ট ওজন অনুসারে জিনিসপত্রের দাম নির্ধারণ করা হইত। কেনা বেচার সময় কড়ি ব্যবহার হতো, এক তংকার সঙ্গে ১০,৫২০টি কড়ি বিনিময় হইত।


