মাগুরানিউজ.কমঃ
মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার দীঘা ইউনিয়নের শিরগ্রাম বাজারসংলগ্ন সোনাপুর সেচখাল দখল করে পাকা দোকানঘর নির্মাণ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে করে ৫০ গ্রামের কৃষি কেন্দ্রীক অর্থনীতি হুমকির মুখে।
স্থানীয়রা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, শিরগ্রাম বাজারের পাশে সোনাপুর খাল অবস্থিত। উপজেলার সবচেয়ে দীর্ঘ ও গুরুত্বপূর্ণ খাল এটি। এ খাল দিয়ে উপজেলার দীঘা, বালিদিয়া ও নহাটা ইউনিয়নের ৫০টি গ্রামের অন্তত ১০ হাজার হেক্টর কৃষিজমির পানি বের হয়ে মধুমতি নদীতে গিয়ে পড়ে।
মধুমতি নদীতে খালের প্রবেশমুখে শিরগ্রাম বাজার অবস্থিত। খালের সোনাপুর এলাকায় প্রায় ২০০ ফুট জায়গা দখল করে ঢালাই দিয়ে উঁচু আরসিসি পিলারের ওপর স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ করছেন স্থানীয় জনৈক তরিকুল ইসলাম। তিনি সোনাপুর গ্রামের বাদশা মিয়ার ছেলে। সামনের অংশে কয়েক হাজার বালুর বস্তা দিয়ে খালের জায়গা ভরাট করা হয়েছে।
এতে বর্ষা মৌসুমে ওই তিনটি ইউনিয়নের কৃষিজমিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হতে পারে বলে তারা আশঙ্কা করছেন।
তারা আরো জানান ইতিমধ্যেই উপজেলা ভূমি অফিসের নথি থেকে তারা জেনেছেন, দখল হওয়া সরকারি খালটির জমি ২২ নম্বর বিল ঝলমল মৌজার ১২২৭ দাগের ১ নম্বর খাস খতিয়ানভুক্ত। ১৯২৪, ১৯৬২ ও হাল রেকর্ডে সরকারি খাস খতিয়ানভুক্ত রয়েছে। খালটি ব্রিটিশ আমলের।
অভিযোগের ব্যাপারে তারিকুল ইসলাম স্থানীয় সাংবাদিকদের বলেছেন, তিনি ওই সম্পত্তির মালিক। তিনি সেখানে দোকানঘর তৈরি করছেন। তার দাবি, ভুলক্রমে রেকর্ড হয়নি।
‘খাল রক্ষার জন্য শিগগিরই আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন, মহম্মদপুর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শাহীন হোসেন।


